রবিবার রাতে লা লিগায় এস্প্যানিয়ল বনাম রিয়াল মাদ্রিদ ম্যাচকে নিয়ে সব চেয়ে আগ্রহী ছিলেন বার্সেলোনার সমর্থকেরা। কারণ, কিলিয়ান এমবাপেদের ক্লাব পয়েন্ট নষ্ট করলেই লা লিগায় চ্যাম্পিয়ন হয়ে যেতেন লামিনে ইয়ামালরা। কিন্তু বার্সার সমর্থকদের আশায় একাই জল ঢেলে দিলেন ভিনিশিয়াস জুনিয়র। জোড়া গোল করে রিয়ালকে জিতিয়ে অপেক্ষা বাড়িয়ে দিলেন বার্সেলোনার।
এস্প্যানিয়লের বিরুদ্ধে রিয়ালের লড়াইটা শুধু তিন পয়েন্টের নয়, ছিল অস্তিত্ব রক্ষারও। আগের ম্যাচের ধাক্কা সামলে জয়ের সরণিতে ফিরতে মরিয়া জুড বেলিংহামরা শুরু থেকেই আক্রমণের ঝড় তোলেন। ভিনিশিয়াস জুনিয়রকে ফাউল করায় প্রথমে লাল কার্ড দেখানো হয়েছিল এস্প্যানিয়লের ওমর আল হিলালিকে। ভিডিয়ো প্রযুক্তি ব্যবহার করে পরে অবশ্য সিদ্ধান্ত বদলান রেফারি। দেখান হলুদ কার্ড। দুই দল বেশ কিছু সুযোগ তৈরি করলেও প্রথমার্ধ শেষ হয় গোলশূন্য ভাবে।
দ্বিতীয়ার্ধে শুরু হয় ভিনি-জাদু। খেলা শুরু হওয়ার ১০ মিনিটের মধ্যে রিয়ালকে এগিয়ে দেন তিনি। ফেদেরিকো ভালভার্দের কাছ থেকে বল পেয়েই ভেতরে ঢুকে পড়েন ভিনিশিয়াস। তার পরে গন্সালো গার্সিয়ার সঙ্গে বল দেওয়া নেওয়া করে বিপক্ষের দুই ডিফেন্ডারকে ছিটকে দিয়ে নিখুঁত শটে গোল করেন ভিনি। ৬৬ মিনিটে ফের জ্বলে ওঠেন ব্রাজিল তারকা। জোরালো শটে ২-০ করেন। ম্যাচের পরে রিয়ালের ম্যানেজার আলভারো আরবেলোয়া বলেছেন, “ভিনিশিয়াসই জোড়া গোল করে দলের আক্রমণকে নেতৃত্ব দিয়েছে। শুধু আক্রমণাত্মক নয়, রক্ষণেও দলকে যথেষ্ট সাহায্য করেছে ভিনি।”
এস্প্যানিয়লের বিরুদ্ধে জয়ের পরে ৩৪ ম্যাচে ৭৭ পয়েন্ট রিয়ালের। সমসংখ্যক ম্যাচ খেলে শীর্ষ স্থানে থাকা বার্সার সংগ্রহে ৮৮ পয়েন্ট। আগামী রবিবার এল ক্লাসিকোয় রিয়ালকে হারিয়ে ২৯তম লা লিগায় চ্যাম্পিয়ন হওয়ার সুযোগ থাকবে বার্সার সামনে।
এই খবরটি পড়ার জন্য সাবস্ক্রাইব করুন
5,148
1,999
429
169
(এই প্রতিবেদনটি আনন্দবাজার পত্রিকার মুদ্রিত সংস্করণ থেকে নেওয়া হয়েছে)