বিশ্বকাপে ‘ভার’-র সিদ্ধান্ত নিয়ে বিতর্ক, অসন্তোষ, হতাশা বেড়েই চলেছে। তালিকায় শেষ সংযোজন পর্তুগালের বিরুদ্ধে শেষ মুহূর্তে ক্রোয়েশিয়ার বাতিল হওয়া গোল। পর্তুগালের রেনাতো ভেগার মাথায় লেগে বল গিয়েছিল এগিয়ে থাকা ইভান পেরিসিচের কাছে। তিনি বল বাড়ান মারিয়ো পাসালিচকে। তিনি বল দেন জসকো ভার্দিওলকে। তিনি বলে পাঁ ছুঁইয়ে গোল করেন। তা-ও অফসাইড দেয় ‘ভার’। এই সিদ্ধান্তই এ বারের বিশ্বকাপে লুকা মদ্রিচদের সব আশা শেষ করে দেয়।
ম্যাচের একদম শেষ মুহূর্তে সমতা ফিরিয়ে মদ্রিচেরা তখন উচ্ছ্বাসে মাতোয়ারা। ভার্দিওলের গোলে নতুন করে লড়াইয়ের জন্য তৈরি হচ্ছেন। রেফারি জানিয়ে দিলেন, গোল নয়, অফসাইড। ‘ভার’-র পরামর্শে সিদ্ধান্ত পরিবর্তন করেন রেফারি। গোল বাতিলের সিদ্ধান্তে হতাশ হয়ে পড়েন ক্রোয়েশিয়ার ফুটবলারেরা। অন্য দিকে, কিছুক্ষণের জন্য থমকে যাওয়া পর্তুগাল শিবিরে শুরু হয় জয়ের উদ্যাপন।
সহকারী রেফারি অফসাইডের সঙ্কেত দেননি। তা-ও কেন বাতিল হল ভার্দিওলের? ঘটনার বিস্তারিত বিশ্লেষণ করে ‘ভার’ জানায়, পেরিসিচের ক্রস পাসালিচের কাছে পৌঁছানোর আগে ইগর মাতানোভিচ স্পর্শ করেছিলেন। সেটি এতই সুক্ষ ছিল যে খালি চোখে বা টেলিভিশনের পর্দায় বোঝাই যায়নি। কিন্তু নিয়ম অনুযায়ী, সেই স্পর্শই পুরো সিদ্ধান্ত বদলে দেয়। মাতানোভিচ বল ছোঁয়ার মুহূর্তে পাসালিচ অফসাইডে ছিলেন। এর পর পাসালিচ বল বাড়ান ভার্দিওলের দিকে এবং সেখান থেকেই গোলটি আসে। আক্রমণের শুরুতেই অফসাইড হয়ে যাওয়ায় গোল বাতিল করতে হয় রেফারিকে। সিদ্ধান্ত ঘোষণার পর ক্ষোভে ফেটে পড়েন ক্রোয়েশিয়ার খেলোয়াড়রা। তাঁরা রেফারিকে ঘিরে ধরে প্রতিবাদ জানান। ‘ভার’-র সিদ্ধান্ত মেনে নিতে পারেননি ক্রোয়েশিয়ার সমর্থকেরাও। ক্ষোভে, হতাশায় তাঁরা মাঠে জলের বোতল, ক্যান ছুড়তে শুরু করেন।
আরও পড়ুন:
ফিফা জানিয়েছে, অফসাইডের এই সিদ্ধান্তে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে বিশ্বকাপের বলের ভিতরে থাকা মোশন সেন্সর চিপ। যা বলে প্রতিটি স্পর্শ অনুভব করতে পারে এবং নথিবদ্ধ করে রাখে। অতি সামান্য স্পর্শও ধরে ফেলে এই প্রযুক্তি। যা খালি চোখে বা টেলিভিশন ক্যামেরায় ধরা পড়ে না। ‘ভার’ চিপের তথ্যের সঙ্গে সেমি-অটোমেটেড অফসাইড প্রযুক্তি মিলিয়ে দেখার পর সিদ্ধান্ত নিয়েছে। তাতেই নিশ্চিত হয়েছে পাসালিচ গোল হওয়ার আগেই আগেই অফসাইডে ছিলেন।
এই খবরটি পড়ার জন্য সাবস্ক্রাইব করুন
5,148
1,999
429
169
- ১১ জুন থেকে শুরু হয়েছে ফুটবল বিশ্বকাপ। চলবে ১৯ জুলাই পর্যন্ত। এ বারই প্রথম ৪৮টি দেশকে নিয়ে প্রতিযোগিতা আয়োজন করছে ফিফা।
- ফুটবল বিশ্বকাপ হচ্ছে তিনটি দেশে। আমেরিকা, কানাডা এবং মেক্সিকো বিশ্বকাপের যৌথ আয়োজক। তিনটি দেশে আলাদা আলাদা উদ্বোধনী অনুষ্ঠান আয়োজন করেছে ফিফা।
- বিশ্বকাপের উদ্বোধনী ম্যাচ হয়েছে অ্যাজটেকা স্টেডিয়ামে। ১১ জুন মেক্সিকোর বিরুদ্ধে দক্ষিণ আফ্রিকা ম্যাচ দিয়ে শুরু হয়েছে বিশ্বকাপ।
-
১০:২৬
আলজেরিয়াকে হারিয়ে বিশ্বকাপের প্রিকোয়ার্টার ফাইনালে সুইৎজ়ারল্যান্ড, নজর কাড়লেন জ়িদান-পুত্র লুকা -
০৮:৫৮
বিশ্বকাপের পরই অবসর রোনাল্ডোর? ক্রোয়েশিয়া ম্যাচের আগেই জল্পনা উস্কে দিয়েছেন বোন অ্যাভেইরো, জবাব সমালোচকদেরও -
০৮:১৩
৬ নজির: বিশ্বকাপে কীর্তি ‘বুড়ো’ রোনাল্ডোর, মেসিকে টপকে বিশ্বরেকর্ড, নকআউটে প্রথম গোল সিআর সেভেনের -
০৬:৪০
বিশ্বকাপের শেষ ১৬-য় পর্তুগাল, নাটকীয় ম্যাচে মদ্রিচের ক্রোয়েশিয়াকে হারালেন রোনাল্ডোরা, মন ভরল না দুই তারকার খেলায় -
১৯:৪৪
আর্জেন্টিনার ম্যাচ নয়, তবু মেসির দেশের জার্সি পরে অন্য ম্যাচ দেখতে গেলেন যশস্বী, জানিয়ে দিলেন নিজের পছন্দের দল