×

আনন্দবাজার পত্রিকা

Advertisement

০২ অগস্ট ২০২১ ই-পেপার

ভারতীয় বোলিংয়ের রিজার্ভ বেঞ্চ নজর কাড়ল ব্রিসবেনে

সংবাদ সংস্থা
ব্রিসবেন ১৫ জানুয়ারি ২০২১ ১৬:৩৪
উইকেট নেওয়ার পর শার্দূল। ছবি: টুইটার থেকে

উইকেট নেওয়ার পর শার্দূল। ছবি: টুইটার থেকে

শুক্রবার ব্রিসবেনে টসের সময় ভারতের দল দেখে আঁতকে উঠেছিলেন অনেকেই। যশপ্রীত বুমরা, রবিচন্দ্রন অশ্বিনহীন ভারতীয় বোলিং নিয়ে ছিনিমিনি খেলবে মনে করেছিলেন অনেক সমর্থকই। ভারতীয় দলের রিজার্ভ বেঞ্চও যে তৈরি তা বুঝিয়ে দিলেন মহম্মদ সিরাজ, শার্দূল ঠাকুররা। মার্নাস লাবুশানের সেঞ্চুরি না থাকলে বেশ লজ্জায় পড়তে হতো অস্ট্রেলিয়াকে।

চতুর্থ টেস্টে ভারতের ৫ বোলারের ৭.৫ ওভার করেই চোট পেয়ে মাঠ ছাড়েন নবদীপ সাইনি। কুঁচকিতে চোট পেয়েছেন তিনি। সেই চোট কতটা তা দেখার জন্য স্ক্যান করতে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। বলা যেতে পারে ৪ বোলার নিয়েই সারাদিন খেলতে হল ভারতকে। ভারতীয় বোলিংয়ের ‘টিম বি’ কিন্তু লড়াই ছাড়েনি। সিরাজ (১৯ ওভারে ৫১/১) প্রথম ওভারেই ফিরিয়ে দেন ডেভিড ওয়ার্নারকে (৪ বলে ১ রান)। কিছুক্ষণের মধ্যেই শার্দূল (১৮ ওভারে ৬৭/১) তুলে নেন ওপেনার মার্কাস হ্যারিসকে (২৩ বলে ৫ রান)। ২ ওপেনারকে ফিরিয়ে যে ধাক্কাটা অস্ট্রেলিয়াকে দিয়েছিলেন সিরাজরা, সেটা সামলে দেন লাবুশানে এবং স্টিভ স্মিথ।

২ অভিজ্ঞ অজি ব্যাটসম্যান ৭০ রানের পার্টনারশিপ গড়েন। এক সময় মনে হচ্ছিল স্মিথ এবং লাবুশানেই ম্যাচটা ভারতের হাত থেকে নিয়ে চলে যাবে। সেই সময়ই স্মিথের উইকেট নেন অভিষেককারী ওয়াশিংটন সুন্দর (২২ ওভারে ৬৩/১)। রোহিত শর্মার হাতে ক্যাচ দিয়ে ফেরেন স্মিথ (৭৭ বলে ৩৬ রান)। তিনি ফিরলে ম্যাথু ওয়েডকে সঙ্গে নিয়ে অস্ট্রেলিয়ার রানের গতি বাড়িয়ে দেন লাবুশানে। পঞ্চাশ করতে তিনি নিয়েছিলেন ১৪৫ বল। ধারাভাষ্যকাররা একবার চেতেশ্বর পূজারার সঙ্গেও তুলনা করেন তাঁকে। সেই লাবুশানেই সেঞ্চুরি করলেন ১৯৫ বলে। অর্থাৎ পরের ৫০ রান করতে নিলেন মাত্র ৪০ বল। এত দূর যেতেই পারতেন না তিনি, যদি সাইনির বলে স্লিপে তাঁর ক্যাচটা তুলে নিতেন অজিঙ্ক রাহানে। লাবুশানের তখন মাত্র ৩৭ রান। পরে ফের একবার সুযোগ এসেছিল পূজারার সামনে তাঁর ক্যাচ নেওয়ার। কিন্তু ব্যাটে লেগে স্লিপে তাঁর হাত অবধি পৌঁছানোর আগেই মাটি ছুঁয়ে যায় বল। লাবুশানের এই সেঞ্চুরি না থাকলে শুক্রবার ভুগতে হতো অস্ট্রেলিয়াকে।

Advertisement

আরও পড়ুন: এক সিরিজে ২০ ক্রিকেটার! অভিনব রেকর্ড ভারতীয় দলের

আরও পড়ুন: বুমরা, অশ্বিনদের সঙ্গে চোটের লিস্টে নাম লেখালেন নবদীপ সাইনিও

ওয়েড এবং লাবুশানে মিলে যোগ করেন ১১৩ রান। ওয়েডের (৮৭ বলে ৪৫ রান) উইকেট নেন আরেক অভিষেককারী টি নটরাজন (২০ ওভারে ৬৩/২)। পরের ওভারেই তিনি পেয়ে যান তাঁর দ্বিতীয় টেস্ট উইকেট। সেঞ্চুরিকারী লাবুশানেকে বোকা বানান এক নিরীহ বাউন্সারে। ঋষভ পন্থের হাতে জমা পড়ে লাবুশানের ক্যাচ। যত সময় এগোয়ে ক্লান্ত হতে থাকেন ভারতীয় বোলাররা। ৮২ ওভারে দ্বিতীয় নতুন বল নিয়েও সেই ভাবে আক্রমণাত্মক হতে দেখা গেল না সিরাজদের। দিনের শেষে ক্যামেরন গ্রিন (২৮ রানে অপরাজিত) এবং অধিনায়ক টিম পেন (৩৮ রানে অপরাজিত) অপরাজিত রয়েছেন ৬১ রানের পার্টনারশিপ গড়ে। শনিবার সকালেই তাঁদের ফেরাতে চাইবে ভারতীয় বোলিংয়ের রিজার্ভ বেঞ্চ।


Advertisement