ব্যাট হাতে দাপট দেখালেন যশস্বী জয়সওয়াল। দেখে মনে হচ্ছিল নিজের আইপিএল কেরিয়ারের প্রথম শতরান করবেন এই বাঁ হাতি ব্যাটার। কিন্তু ৭৭ রানে থামল তাঁর ইনিংস। যশস্বীর ব্যাটে ভর করে ঘরের মাঠে চেন্নাই সুপার কিংসের বিরুদ্ধে প্রথমে ব্যাট করে ২০২ রান করল রাজস্থান রয়্যালস।
টসে জিতে প্রথমে ব্যাট করার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন রাজস্থানের অধিনায়ক সঞ্জু স্যামসন। দলের শুরুটাও তেমনই হয়েছিল। চেন্নাইয়ের পেসারদের দাঁড়াতে দেননি রাজস্থানের দুই ব্যাটার। যশস্বী এত মারছিলেন যে অপর প্রান্তে থাকা জস বাটলারকে শান্ত দেখাচ্ছিল। পাওয়ার প্লে কাজে লাগিয়ে একের পর এক বড় শট খেলেন তিনি। মাত্র ২৬ বলে অর্ধশতরান করেন যশস্বী।
পেসাররা রান দিচ্ছেন দেখে স্পিনারদের হাতে বল তুলে দেন সিএসকে অধিনায়ক মহেন্দ্র সিংহ ধোনি। চেন্নাইকে প্রথম উইকেট এনে দেন রবীন্দ্র জাডেজা। ২৭ রানের মাথায় বাটলারকে আউট করেন তিনি। কিন্তু যশস্বী তখনও ক্রিজে ছিলেন। ১০ ওভারে ১০০ রান হয়ে গিয়েছিল রাজস্থানের। দেখে মনে হচ্ছিল, ২০০ রান সহজেই পেরিয়ে যাবে।
আরও পড়ুন:
তবে মাঝের ওভারে রানের গতি কমল। জোড়া উইকেট নিয়ে রাজস্থানকে বড় ধাক্কা দিলেন তুষার দেশপাণ্ডে। প্রথমে রাজস্থানের অধিনায়ক সঞ্জুকে মাত্র ১৭ রানের মাথায় আউট করলেন তিনি। সেই ওভারেই ৪৩ বলে ৭৭ রান করে আউট হলেন যশস্বী।
রাজস্থানের হয়ে মিডল অর্ডারে দলের হাল ধরছিলেন শিমরন হেটমায়ার। কিন্তু চেন্নাইয়ের বিরুদ্ধে রান পেলেন না তিনি। পর পর উইকেট পড়তে থাকায় রানের গতি অনেকটাই কমে যায়। গতির হেরফের করে রাজস্থানের ব্যাটারদের আটকে রাখেন চেন্নাইয়ের পেসাররা।
কিন্তু শেষ দিকে আবার খেলায় ফিরল রাজস্থান। দেবদত্ত পড়িক্কল ও ধ্রুব জুরেল বেশ কিছু বড় শট খেলেন। দুই ভারতীয় ব্যাটারের ব্যাটে ২০০ রানের গণ্ডি পার করে রাজস্থান। ২০ ওভারে ৫ উইকেট হারিয়ে ২০২ রান করেন সঞ্জুরা। ধ্রুব ৩৪ রান করে রানআউট হন। পড়িক্কল অপরাজিত থাকেন ২৩ রানে। অর্থাৎ, ম্যাচ জিতে আইপিএলের পয়েন্ট তালিকার শীর্ষে নিজেদের জায়গা আরও পাকা করতে ২০৩ রান করতে হবে ধোনিদের।