বারাসত থেকে পেট্রাপোল পর্যন্ত যশোর রোড সম্প্রসারণে গাছ-সমস্যা মিটেও মিটল না। ওই সম্প্রসারণের কাজে ৩৫৬টির বেশি গাছ কাটা যাবে না বলে শুক্রবার জানায় কলকাতা হাইকোর্ট। তার পরেই একটি আবেদনের ভিত্তিতে গাছ কাটার উপরে তিন সপ্তাহের স্থগিতাদেশ দেয় প্রধান বিচারপতি জ্যোতির্ময় ভট্টাচার্য এবং বিচারপতি অরিজিৎ বন্দ্যোপাধ্যায়ের ডিভিশন বেঞ্চ।

ওই রাস্তা সম্প্রসারণের জন্য ৪০৩৬টি গাছ কাটতে হবে বলে জানিয়ে আদালতে প্রজেক্ট রিপোর্ট দেয় রাজ্য। ওই রাস্তার দু’ধারে প্রাচীন গাছ কাটার বিরোধিতা করে একটি মানবাধিকার সংগঠন এবং একটি ছাত্র সংগঠন জনস্বার্থে মামলা করে। দুই সংগঠনের আইনজীবী রঘুনাথ চক্রবর্তী জানান, প্রাক্তন ভারপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতি নিশীথা মাত্রের ডিভিশন বেঞ্চ গাছ কাটার উপরে স্থগিতাদেশ জারি করে একটি কমিশন গড়ে নির্দেশ দেন, যে-সব গাছ কাটা হবে, সেগুলো প্রাচীন কি না এবং কোন কোন এলাকায় গাছ কাটার কথা, তা জানাতে হবে বিস্তারিত ভাবে। কমিশন রিপোর্ট দিয়ে জানায়, সব গাছই প্রাচীন।

ডিভিশন বেঞ্চ এ দিন জানায়, কাটা পড়া প্রতিটি গাছের জন্য পাঁচটি গাছ লাগাতে হবে। তার পরেই দুই সংগঠনের তরফে আবেদন জানানো হয়, ওই ৩৫৬টি গাছ কাটার উপরেও স্থগিতাদেশ দেওয়া হোক। কারণ, ওই সব গাছও প্রাচীন। তাঁরা সুপ্রিম কোর্টে যেতে চান বলে জানান দুই সংগঠনের কৌঁসুলি রঘুনাথবাবু। বেঞ্চ তখন তিন সপ্তাহের স্থগিতাদেশ দেয়।