ড্রোনের সাহায্যে শুয়োর পরিবহণের নির্বুদ্ধিতার মাসুল দিতে হল গোটা গ্রামকে। বিদ্যুতের তারে আটকে শর্টসার্কিট হয়ে গেল গ্রামে। ফলে প্রায় কয়েক ঘণ্টা বিদ্যুৎহীন হয়ে রইল এলাকা। এক অদ্ভুত দুর্ঘটনায় প্রায় অর্ধেক দিন ধরে পুরো গ্রাম বিদ্যুৎবিহীন হয়ে পড়েছিল। ড্রোনটি অপসারণ এবং ক্ষতিগ্রস্ত লাইন মেরামত করার জন্য ১০ ঘণ্টা সময় লাগে। খরচ হয় এক লক্ষ টাকাও!
সংবাদ প্রতিবেদন অনুসারে ঘটনাটি ঘটেছে চিনের সিচুয়ানের টংজিয়াং কাউন্টির তিফোতে। সেখানকার এক বাসিন্দা নববর্ষের দিনে শূকর জবাই করার জন্য পাহাড়ের নীচে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছিলেন। তার জন্য তিনি ড্রোনটি ব্যবহার করছিলেন। তাঁর সেই বুদ্ধিটি কাজে তো এলই না, উল্টে বিপাকে পড়লেন গ্রামবাসীরা। বিকালের দিকে তিনি কাজটি শুরু করেছিলেন, ভেবেছিলেন অন্ধকার হওয়ার আগেই সবক’টি প্রাণীকে পাহাড়ের নীচে পাঠিয়ে দিতে পারবেন। অন্ধকারে দৃশ্যমানতা কম থাকার কারণে, ড্রোনটির সঙ্গে বাঁধা দড়িটি উড়তে উড়তে বিদ্যুতের তারে আটকে যায়। ড্রোন এবং শূকরটি বাতাসে ঝুলন্ত অবস্থায় পড়ে থাকে। ফলে শর্টসার্কিট হয় এবং গ্রামে বিদ্যুৎ বিভ্রাট ঘটে।
আরও পড়ুন:
গ্রামের লোকজন বিদ্যুৎ বিভাগকে খবর দেয়। বিদ্যুৎ বিভাগ জানিয়েছে যে, ১২ জন শ্রমিকের চেষ্টায় উড়ুক্কু যানটিকে অপসারণ এবং ক্ষতিগ্রস্ত বিদ্যুতের তার মেরামতের কাজটি শেষ হয়। এর জন্য প্রায় ১০,০০০ ইউয়ান (প্রায় ১ লক্ষ টাকা) খরচ হয়েছে। স্থানীয় পুলিশ ঘটনাটির তদন্তে নেমেছে। কারণ ওই বাসিন্দার বিরুদ্ধে একটি নিষিদ্ধ এলাকায় ড্রোন ওড়ানোর অভিযোগ রয়েছে। পুলিশ বিষয়টি খতিয়ে দেখছে। যদি নিয়ম ভঙ্গ করা হয়, তা হলে গ্রামবাসীকে জরিমানা করা হতে পারে। এবং বিদ্যুৎ সংযোগের ক্ষতির জন্য তাঁকে টাকা দিতে হতে পারে।