স্কুলে পড়তেই শিক্ষককে ভাল লেগে গিয়েছিল তরুণীর। ৪০ বছরের বড় শিক্ষকের প্রতি ভাল লাগা থেকে গিয়েছিল স্কুল পাশ করার পরেও। কলেজে ভর্তি হয়ে সেই শিক্ষকের সঙ্গে সম্পর্কে জড়ান তরুণী। দু’বছর প্রেম করার পর গত মাসে বিয়ে করেছেন তাঁরা। সম্প্রতি সমাজমাধ্যমের পাতায় এমনই একটি ভিডিয়ো ছড়িয়ে পড়েছে (যদিও সেই ভিডিয়োর সত্যতা যাচাই করেনি আনন্দবাজার ডট কম)।
‘ডায়েরিঅফমিনিয়া’ নামের অ্যাকাউন্ট থেকে ইনস্টাগ্রামের পাতায় একটি ভিডিয়ো পোস্ট করা হয়েছে। সেই ভিডিয়োয় দেখা গিয়েছে যে, এক বৃদ্ধের সঙ্গে রোম্যান্টিক মুহূর্ত কাটাচ্ছেন কমবয়সি এক তরুণী। ভিডিয়োটি দেখেই সমাজমাধ্যমে তরুণীকে ঘিরে সমালোচনার ঝড় উঠেছে। তরুণীর নাম মিনিয়া পাগনি। ২২ বছরের তরুণী ইটালির বাসিন্দা। বর্তমানে চিকিৎসাবিদ্যা নিয়ে পড়াশোনা করছেন তিনি। পাঁচ বছর আগে স্কুলের গণ্ডি পার করেছেন মিনিয়া। সেই স্কুলে দর্শনের অধ্যাপনা করতেন এক বৃদ্ধ। মিনিয়ার সঙ্গে তাঁর বয়সের পার্থক্য ৪০ বছরের। স্কুলে পড়াকালীন শিক্ষককে পছন্দ করেছিলেন তরুণী। কিন্তু মনের কথা জানাতে পারেননি তিনি।
আরও পড়ুন:
স্কুল পাশ করার পরেও শিক্ষকের প্রতি সেই ভাল লাগা বজায় ছিল মিনিয়ার। স্কুল পাশ করার পর চিকিৎসাবিদ্যা নিয়ে পড়ার জন্য কলেজে ভর্তি হন তিনি। দু’বছর আগে মিনিয়ার সঙ্গে এক বইয়ের দোকানে হঠাৎ দেখা হয়ে যায় দর্শনের শিক্ষকের। শিক্ষক-ছাত্রীর সম্পর্ক পার করে ডেট করতে শুরু করেন তাঁরা। দু’বছর সম্পর্কে থাকার পর গত বছর ডিসেম্বর মাসে ৪০ বছরের বড় শিক্ষককে বিয়ে করেন মিনিয়া। সমাজমাধ্যমের পাতায় তাঁদের বিভিন্ন রোম্যান্টিক মুহূর্তের ছবি এবং ভিডিয়ো পোস্ট করে বিবাহিত জীবনের অধ্যায় তুলে ধরেন।
মিনিয়া জানান, বয়সের এত পার্থক্য রয়েছে জেনে মিনিয়ার পরিবারের সদস্যেরা প্রথমে আপত্তি জানিয়েছিলেন। কিন্তু তাঁদের বাড়ির মেয়ের প্রতি বৃদ্ধের ভালবাসা এবং শ্রদ্ধা দেখে মন বদলে যায় সকলের। মিনিয়া জানান, তিনি খুব আনন্দে রয়েছেন। জীবনসঙ্গী হিসাবে শ্রেষ্ঠ মানুষটিকেই নির্বাচন করেছেন তিনি। কিন্তু নেটাগরিকদের গলায় সমালোচনার সুর। একাংশের দাবি, বৃদ্ধের সম্পত্তির জন্যই মিনিয়া তাঁর সঙ্গে সংসার করছেন। এক জন আবার লিখেছেন, ‘‘বৃদ্ধ যে ঘড়ি পরে রয়েছেন, তার মূল্য ৬০ হাজার টাকা। তরুণী ঠিক কী কারণে বিয়ে করেছেন তা স্পষ্ট বোঝা যাচ্ছে।’’ তার উত্তরে অবশ্য মিনিয়া বলেছেন, ‘‘আমার স্বামীর কাছে দু’টি দামি ঘড়ি রয়েছে। একটি উপহার পাওয়া। অন্য ঘড়িটি আমিই ওকে কিনে দিয়েছি। ওর কোনও রকম বিলাসিতা নেই।’’