গাছ বা বাড়ির বারান্দার কোণে মৌমাছি বাসা বাঁধাটা স্বাভাবিক। অনেক সময় পরিত্যক্ত জায়গায় সুযোগ পেলেই চাক তৈরি করে মধুকরেরা। তাই বলে কোনও মানুষের পশ্চাৎদেশে মৌমাছির ঝাঁক উড়ে এসে বসার ঘটনা অদ্ভুত তো বটেই, একই সঙ্গে বিপজ্জনকও। সেই অভিজ্ঞতাই হল এক তরুণের। ঝাঁকে ঝাঁকে মৌমাছি এসে বসল তাঁর প্যান্টের পিছনে! যার জেরে ৩০ মিনিট নিশ্চল হয়ে দাঁড়িয়ে থাকতে হল তাঁকে। সমাজমাধ্যমে ঘটনাটি পোস্ট করার পর ভাইরাল হয়েছে পোস্টটি। যদিও এই পোস্টের সত্যতা যাচাই করেনি আনন্দবাজার ডট কম।
সংবাদ প্রতিবেদনে অনুসারে, গ্যারেজে যাওয়ার সময় এই ভীতিপ্রদ অভিজ্ঞতার সাক্ষী ছিলেন তরুণ। একটি রানি মৌমাছি উড়ে এসে তাঁর প্যান্টের উপর এসে বসে। মুহূর্তের মধ্যেই পরিস্থিতি পাল্টে যায়। পোস্টের দাবি অনুযায়ী, রানি মৌমাছিটি তাঁর পোশাকে বসার পর পরই হাজার হাজার কর্মী মৌমাছি তাঁকে ঘিরে ধরে। এক লহমায় তরুণের পশ্চাৎদেশে মৌমাছির ‘চাক’ তৈরি হয়ে যায়। হাজার হাজার মৌমাছির আক্রমণের আশঙ্কা সত্ত্বেও ভয়, অস্বস্তি নিয়েও তরুণ সম্পূর্ণ নিশ্চল থাকেন। কারণ একচুল নড়লেই শয়ে শয়ে হুল ফুটে যেত তাঁর শরীরে। প্রায় ৩০ মিনিট তিনি স্থির ভাবে দাঁড়িয়ে ছিলেন। ফলে একটিও হুল ফোটায়নি মৌমাছিরা।
পোস্টটিতে আরও বলা হয়েছে যে, অন্য এক জন রানি মৌমাছিটিকে একটি অন্য পাত্রে ঢোকানোর পর দুর্ভোগের অবসান ঘটে। রানি মৌমাছিটিকে আলাদা করার পর, মৌমাছির ঝাঁকটি ছত্রভঙ্গ হয়ে যায়। হাঁফ ছেড়ে বাঁচেন তরুণও। পোস্টটি ‘মিডিসারাসু’ নামের একটি এক্স হ্যান্ডল থেকে পোস্ট করার পর প্রচুর মানুষ তা দেখেছেন। তরুণের অবস্থা দেখে মিশ্র প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে নেটমাধ্যম ব্যবহারকারীরা। এক নেটাগরিক তরুণের উদ্দেশে লিখেছেন, “আপনার নিতম্বে একটি রানি মৌমাছি এসে বসার পর, ওই পরিস্থিতিতে ৩০ মিনিট স্থির থাকার মানসিক দৃঢ়তা অনেক বেশি।’’ অন্য এক এক্স ব্যবহারকারী লিখেছেন, ‘‘একটু নড়লেই সব শেষ।’’