Advertisement
E-Paper

পরিকল্পনা আর ঠান্ডা মাথা, ওরাকল থেকে ছাঁটাই হয়েও মোটা আয়ের ব্যবস্থা করলেন ‘বেকার’ তরুণ! প্রংশসায় নেটপাড়া

এক্সের একটি পোস্টে উল্লেখ করা হয়েছে, বেকার তরুণ প্রযুক্তিবিদের মধ্যে আতঙ্ক বা দুশ্চিন্তার চিহ্নমাত্র ছিল না। চাকরি হারানোর পর তিনি বেঙ্গালুরু থেকে সোজা নিজের শহর ভুবনেশ্বরে ফিরে এসেছেন।

আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক

শেষ আপডেট: ০৭ এপ্রিল ২০২৬ ১২:৩৫

—প্রতীকী ছবি।

প্রযুক্তিক্ষেত্রে কর্মী ছাঁটাইয়ের হিড়িক। সম্প্রতি বিশ্বব্যাপী ওরাকলের প্রায় ৩০,০০০ কর্মী চাকরি হারিয়েছেন। সমাজমাধ্যম ও সংবাদমাধ্যম জুড়ে চাকরি হারানো কর্মীদের নানা রকম প্রতিক্রিয়ার মাঝেই একটি পোস্ট নজর কেড়েছে এক্স হ্যান্ডলে। পোস্টদাতা তাঁর এক বন্ধুর কথা উল্লেখ করেছেন যিনি বেঙ্গালুরুতে ওরাকলের কর্মী ছিলেন। ছাঁটাইয়ের তালিকায় তাঁরও নাম ছিল। চাকরি হারানোর পর আতঙ্কিত না হয়েও কী ভাবে নতুন জীবন শুরু করা যায় সেই বর্ণনাই পোস্টে উঠে এসেছে। যদিও এই পোস্টের সত্যতা যাচাই করেনি আনন্দবাজার ডট কম।

সত্য নায়ক নামের এক তরুণ তাঁর এক্স হ্যান্ডল থেকে পোস্ট করে জানান, তাঁর এক ঘনিষ্ঠ বন্ধু ১৪ বছর চাকরি করার পর ওরাকল থেকে চাকরিচ্যুত হয়েছিলেন। সত্য লিখেছেন, চাকরি হারানোর পর তাঁর বন্ধুর মধ্যে কোনও আতঙ্ক বা দুশ্চিন্তার চিহ্নমাত্র ছিল না। বেঙ্গালুরু থেকে সোজা নিজের শহর ভুবনেশ্বরে ফিরে গিয়েছেন তিনি। একাধিক স্থায়ী আমানত থাকায় চাকরি চলে যাওয়া সত্ত্বেও আর্থিক নিরাপত্তার অভাব ছিল না ওরাকলের সদ্য প্রাক্তন প্রযুক্তিবিদের।

পোস্ট অনুসারে, দু’টি যৌথ অ্যাকাউন্টে ১৫ লক্ষ টাকা করে পোস্ট অফিসের স্থায়ী আমানত ছিল ওই প্রযুক্তিবিদের। একটি বাবা-মায়ের সঙ্গে এবং অন্যটি তাঁর ও স্ত্রীর নামে। এ ছাড়াও সন্তানের নামে একটি অ্যাকাউন্ট ছিল। সব মিলিয়ে এই অ্যাকাউন্টগুলি থেকে প্রতি মাসে মোটা টাকা সুদ আসে বলে পোস্টে উল্লেখ করেছেন সত্য। পোস্টদাতার দাবি, বিভিন্ন ব্যাঙ্কে তাঁর বন্ধুর অতিরিক্ত স্থায়ী আমানতের মোট পরিমাণ ছিল প্রায় ৩০ লক্ষ টাকা। সেগুলি থেকেও প্রতি মাসে কয়েক হাজার টাকা সুদ পাওয়া যায়।

Advertisement

গাড়ি চালাতে জানার কারণে, প্রযুক্তিবিদ বাড়িতে বসে না থেকে নিজের সুবিধামতো অ্যাপক্যাবের চালক হিসাবে কাজ শুরু করে দিয়েছেন। ফলে মাসে একটি স্থিতিশীল আয়ের পথ খোলা থাকে। এর সঙ্গে একটি ছোট ব্যবসা চালু করার চিন্তাভাবনাও রয়েছে সত্যের বন্ধুর। আকস্মিক চাকরি হারানোর পরিস্থিতি চাপমুক্ত ভাবে সামলে নিতে পেরেছেন ওরাকলের প্রাক্তন কর্মী। এর প্রধান কারণটি হল প্রচলিত সঞ্চয়ের অভ্যাস, ধৈর্য ও শৃঙ্খলা।

পোস্টটি সমাজমাধ্যমে ব্যাপক প্রশংসা পেয়েছে। একজন ব্যবহারকারী মন্তব্য করেছেন, “পুরনো ধাঁচের পরিকল্পনা সত্যিই কাজে দেয়। কোনও চাপ থাকে না। শুধু বুদ্ধিদীপ্ত পদক্ষেপ আর পারিবারিক সমর্থনই যথেষ্ট। এত শান্ত ভাবে বিষয়টি সামলানোর জন্য আপনার বন্ধুকে অভিনন্দন জানাই।”

Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy