Advertisement
E-Paper

জলমগ্ন রাস্তায় লুকোনো ‘মরণফাঁদ’, চাকা ডুবতে হুমড়ি খেয়ে ছিটকে গেলেন দম্পতি! না দেখার ভান করে সরে গেল পুলিশভ্যান

ভাইরাল হওয়া একটি ভিডিয়োয় দেখা গিয়েছে, প্রবল বৃষ্টিতে জলমগ্ন রাস্তা দিয়ে বাইক চালিয়ে আসছিলেন এক তরুণ। পিছনে ছিলেন স্ত্রী। বৃষ্টির জল জমে থাকা রাস্তায় বিপদের আঁচও পাননি বাইকআরোহীরা। স্ত্রীকে নিয়ে এগিয়ে যেতেই মুহূর্তের মধ্যে বাইকটি জলের নীচে লুকিয়ে থাকা একটি গর্তে পড়ে যায়।

আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক

শেষ আপডেট: ০৪ জুলাই ২০২৬ ১৩:১৪

ছবি: ভিডিয়ো থেকে নেওয়া।

বর্ষা নামলে রাস্তাতেই তৈরি হয় লুকোনো বিপদ। ঠিক যেন মরণফাঁদ। সেই জল ভরা গর্তে পড়লে বড়সড় দুর্ঘটনার হাত থেকে রেহাই পাওয়া মুশকিল। তেমনই একটি ভিডিয়ো প্রকাশ্যে এসেছে সমাজমাধ্যমে। মুষলধারে বৃষ্টির মধ্যে বাইকে বসা এক দম্পতি এক ভয়াবহ দুর্ঘটনার শিকার হয়েছেন। সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুসারে ঘটনাটি ঘটেছে গুজরাতের জুনাগঢ়ে। ভাইরাল সেই ভিডিয়ো দেখে শিউরে উঠেছেন নেটাগরিকেরা। যদিও এই ভিডিয়োটিকর সত্যতা যাচাই করেনি আনন্দবাজার ডট কম।

ভাইরাল সেই ভিডিয়োয় দেখা গিয়েছে, প্রবল বৃষ্টিতে জলমগ্ন রাস্তা দিয়ে বাইক চালিয়ে আসছিলেন এক তরুণ। পিছনে ছিলেন স্ত্রী। বৃষ্টির জল জমে থাকা রাস্তায় বিপদের আঁচও পাননি বাইকআরোহীরা। স্ত্রীকে নিয়ে এগিয়ে যেতেই মুহূর্তের মধ্যে মোটরসাইকেলটি জলের নীচে লুকিয়ে থাকা একটি গর্তে পড়ে যায়। আচমকা গর্তে ঢুকে যেতেই বাইকটি থমকে যায়। সামনের দিকে হুমড়ি খেয়ে পড়ে যান দু’জনেই। ধাক্কার ফলে বাইকের সামনের চাকা গর্তের মধ্যে আটকে যায়। সঙ্গে সঙ্গে দুই আরোহীই ভারসাম্য হারিয়ে ফেলেন। দুর্ঘটনার পর তরুণী ছিটকে স্বামীর পিঠের ওপর পড়ে যান। চালকও রাস্তায় আছড়ে পড়েন এবং তাঁর মাথা সজোরে ঠুকে যায়। গুরুতর আহত হন তিনি। ভিডিয়োয় দেখা যায়, মোটরসাইকেল আরোহী উঠে দাঁড়াতে পারছিলেন না। পাশে থাকা তরুণী তাঁকে ধরে রাখার প্রাণপণ চেষ্টা করছিলেন। কিছু ক্ষণের মধ্যেই আশপাশের পথচারীরা ছুটে এসে দুজনকে উদ্ধার করেন। সেই সময় ঘটনাস্থল দিয়ে একটি পুলিশের গাড়িকেও যেতে দেখা যায়। যদিও গাড়ি থেকে নেমে কেউ সাহায্য করতে আসেননি। পরে জানা যায়, দুর্ঘটনায় গুরুতর আহত হওয়ায় দ্রুত হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়েছে বাইকচালক তরুণকে। তাঁর চিকিৎসা চলছে।

ভিডিয়োটি ‘জিৎএন২৫’ নামের একটি এক্স হ্যান্ডল থেকে পোস্ট করার পর ফুটেজটি দ্রুত ভাইরাল হয়ে যায়। নেটমাধ্যম ব্যবহারকারীদের অনেকেই প্রশ্ন তোলেন যে, দুর্ঘটনার পরবর্তী পরিস্থিতি দেখার পরেও পুলিশ ভ্যানটিকেন থামল না। অনেকেই পুলিশের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন। এক নেটমাধ্যম ব্যবহারকারী মন্তব্য করেন, ‘‘লক্ষ করুন, পুলিশের টহল গাড়িটি সাহায্য করার বা অন্তত থামারও প্রয়োজন মনে করেনি। তারা শুধু ঘটনাটি দেখল, বুঝল যে এখানে কোনও পক্ষের কাছ থেকে কিছু আদায় করার মতো কারণ বা অজুহাত নেই, তার পর নীরবে ঘটনাস্থল ছেড়ে চলে গেল। চূড়ান্ত পেশাদারি আচরণ!’’

Gujarat

সঠিক খবর পেতে গুগ্‌লে বেছে নিন আনন্দবাজার ডট কম

ফলো করুন আমাদের মাধ্যমগুলি

Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy