উত্তরাখণ্ডের জিম করবেট জাতীয় উদ্যানে হইচই করা ঘটনা। বন্য হাতির একটি পালের সঙ্গে ‘পালিয়ে’ গিয়ে নিখোঁজ বন টহলের কাজে ব্যবহৃত দুটি মাদী হাতি! তেমনটাই উঠে এসেছে সংবাদমাধ্যম নিউজ়১৮-এর প্রতিবেদনে। নিখোঁজ হওয়ার কয়েক দিন আগেই কপিলা এবং তুঙ্গা নামের হাতি দু’টিকে জিম করবেট জাতীয় উদ্যানের ভিতরে ও আশপাশে টহলের কাজে নিযুক্ত করা হয়েছিল।
আরও পড়ুন:
নিউজ়১৮-এর প্রতিবেদন অনুযায়ী, তাদের শিবির থেকে নিখোঁজ হওয়ার পর থেকে বন কর্তৃপক্ষ হাতি দু’টির জন্য ক্রমাগত অনুসন্ধান চালাচ্ছেন। কর্মকর্তারা মনে করছেন, কপিলা এবং তুঙ্গা হয়তো রাতের বেলা ওই অঞ্চলে বিচরণকারী বন্য হাতির একটি পালের সঙ্গে চলে গিয়েছে। প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, দু’টি হাতিই প্রশিক্ষিত ‘কুমকি’— অর্থাৎ গৃহপালিত হাতি, যা বন দফতরের তরফে বনভূমিতে টহল, উদ্ধার অভিযান এবং বন্যপ্রাণী ব্যবস্থাপনার জন্য ব্যবহার করা হয়। নিখোঁজ হওয়ার আগে এই জুটি করবেট অঞ্চলে নিয়মিত টহলের দায়িত্বে ছিল বলে খবর।
আরও পড়ুন:
মজার বিষয় হল এটি সম্পূর্ণ নতুন কোনও ঘটনা বলে মনে করা হচ্ছে না। বন কর্মকর্তাদের উদ্ধৃত করে ‘নিউজ়১৮’-এর প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, অতীতেও একই ধরনের ঘটনা ঘটেছে, যেখানে প্রশিক্ষিত মাদী হাতিরা বন্য পালের সঙ্গে মিশে যাওয়ার পর সাময়িক ভাবে পথ হারিয়ে ফেলেছিল এবং কয়েক দিন পরেই তাদের শিবিরে ফিরে এসেছিল।
আরও পড়ুন:
আপাতত, পার্ক কর্তৃপক্ষ পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছে বলে জানা গিয়েছে। মাদী দুই হাতির সন্ধানও অব্যাহত রাখা হয়েছে। এই অস্বাভাবিক ঘটনাটি নেটাগরিকদের মধ্যেও কৌতূহল জাগিয়েছে। অনেকেই প্রশিক্ষিত হাতিদের ‘বন্য জীবন’ বেছে নেওয়ার জন্য কৌতুক প্রকাশ করেছেন। তবে অনেকেই আশা প্রকাশ করেছেন যে ওই জুটি শীঘ্রই নিরাপদে জঙ্গলে ফিরে আসবে।