ভিয়েতনামের হো চি মিন শহরের একটি রেস্তরাঁ গুরুতর অভিযোগ এনেছে এক ভারতীয় পরিবারের বিরুদ্ধে। সমাজমাধ্যমে করা একটি পোস্টে ওই রেস্তরাঁর তরফে দাবি করা হয়েছে যে, ওই পরিবারের সঙ্গে থাকা বাচ্চাটিকে দুষ্টুমি করতে বারণ করায় তার মা-বাবা রেস্তরাঁটিতে ভাঙচুর চালান। এমনকি রেস্তরাঁকর্মীদের হুমকিও দেন তাঁরা, এমনটাই অভিযোগ।
আরও পড়ুন:
ভাইরাল হওয়া সেই ভিডিয়োটিতে দেখা গিয়েছে, একটি রেস্তরাঁর চিত্র। সেখানে যেন এক ধ্বংসলীলা চলেছে। এর মধ্যেই দেখা যায়, ট্রলি ব্যাগ হাতে নিয়ে বেরোচ্ছেন এক তরুণী। তাঁর সঙ্গে থাকা এক কিশোর একটি টেবিল থেকে সব টিস্যু পেপার নিয়ে ফেলে দেয়। এর পর তরুণীর সঙ্গী তরুণ রেস্তরাঁর টেবিলের উপরে থাকা টেবিলঢাকাটিও এক টানে ফেলে দেন। একটি চেয়ারও উল্টে ফেলে দেওয়া হয়। এর পর রেস্তরাঁকর্মীরা এমন আচরণের প্রতিবাদ জানালে উল্টে তাঁদের ধমকাতে শুরু করেন ওই তরুণ-তরুণী। একসময় অবশ্য ওই তরুণকে সামলানোরও চেষ্টা করছিলেন ওই তরুণী। রেস্তরাঁর সিসিটিভি ফুটেজে ঘটনাটি ধরা পড়েছে। যদিও ভিডিয়োটির সত্যতা যাচাই করেনি আনন্দবাজার ডট কম।
আরও পড়ুন:
জানা গিয়েছে, দিল্লিবাসী এক পরিবার এমন কাণ্ড ঘটিয়েছে। সংবাদমাধ্যম সূত্রে খবর, ভিয়েতনামের হো চি মিন শহরের ডিস্ট্রিক্ট ১ পর্যটনকেন্দ্রের একটি সুপরিচিত ভারতীয় রেস্তরাঁ ‘বোম্বে বাইটস এইচসিএম’-এ ঘটনাটি ঘটেছে। এই ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে রেস্তরাঁর তরফ থেকে জানানো হয়েছে যে তাঁরা তাঁদের গ্রাহকদের প্রতি সব সময়ই অত্যন্ত যত্নশীল থাকেন। কিন্তু রেস্তরাঁ কোনও খেলার মাঠ নয়। এবং রেস্তরাঁকর্মীদের উপর কখনওই অকারণে রাগ ফলানো যাবে না। মা-বাবার উচিত সন্তানকে শিষ্টাচার শেখানো। ওই পরিবার নিজেদের বিষয়স্রষ্টা বলেও হুমকি দেন বলে দাবি রেস্তরাঁর। তবে, রেস্তরাঁ কর্তৃপক্ষ ওই পরিবারের বিরুদ্ধে কোনও পদক্ষেপ করেছেন কি না, তা এখনও পর্যন্ত জানা যায়নি। পরিবারটিরও কোনও বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
ইনস্টাগ্রামের ‘নিউজ়৯লাইভ’ নামের হ্যান্ডল থেকে ভিডিয়োটি পোস্ট করা হয়েছে। ভিডিয়োটি দেখে ক্ষোভে ফেটে পড়েছেন সমাজমাধ্যম ব্যবহারকারীরা। বহু মানুষ ভিডিয়োটি দেখেছেন। অনেকে শেয়ারও করেছেন। অজস্র মন্তব্য জমা পড়েছে মন্তব্যবাক্সে। ভারতীয় হিসাবে লজ্জিত বোধ করেছেন অনেকেই। এক জন লিখেছেন, “এই সব মানুষের পাসপোর্ট বাজেয়াপ্ত করা উচিত।” আবার এক ব্যবহারকারীর মন্তব্য, “বাচ্চাটি কোথা থেকে এমন অভব্য আচরণ শিখেছে, তা সহজেই অনুমান করা যায়।”