গুজরাতের রাজকোটের এক তরুণী দাবি করেছেন যে তাঁর স্বামী তাঁকে সঙ্গী অদলবদল (কাপল সোয়াপিং) চক্রে অংশ নেওয়ার প্রস্তাব দেন। ২০২২ সালে সুরতে বিয়ে হয় ওই তরুণীর। তাঁর অভিযোগ, বিয়ের মাত্র তিন মাস পর এমন কথা বলেন তাঁর স্বামী। ওই তরুণী বিষয়টিতে অরাজি হওয়ায় দাম্পত্য হিংসারও শিকার হতে হয় তাঁকে, এমনটাই অভিযোগ করেছেন তিনি। সংবাদমাধ্যম সূত্রে খবর, চার বছরের মাথায় ২০২৬ সালে এসে ওই ঘটনার প্রেক্ষিতে পুলিশে অভিযোগ দায়ের করলেন ওই তরুণী।
আরও পড়ুন:
অভিযোগকারিণী জানিয়েছেন, তাঁর স্বামী তাঁকে বলেছিলেন যে সঙ্গী অদলবদলের মাধ্যমে তাঁদের আর্থিক অবস্থার উন্নতি হবে। এ ছাড়া নতুন নতুন মানুষের সঙ্গে সময় কাটিয়ে আনন্দও পাওয়া যাবে। এই চক্রটি কী ভাবে কাজ করে সে বিষয়েও জানিয়েছেন ওই তরুণী। সংবাদমাধ্যমের কাছে তিনি জানান, প্রথমে নাম ভাঁড়িয়ে একটি ভুয়ো ফেসবুক অ্যাকাউন্ট তৈরি করা হয়। সেই প্রোফাইলে দম্পতির নির্বাচিত কিছু ছবি আপলোড করা হয়, এর পর অন্যান্য দম্পতি সেই অ্যাকাউন্টের মাধ্যমেই যোগাযোগ করতে শুরু করেন।
পুরো কার্যকলাপ দেখে তিনি অত্যন্ত ভয় পেয়ে যান বলে জানিয়েছেন অভিযোগকারিণী। উচ্চবিত্ত থেকে মধ্যবিত্ত— সব রকম আর্থিক অবস্থার দম্পতিই এই চক্রে জড়িত ছিলেন বলে দাবি তরুণীর। তাঁর কাছে প্রমাণও আছে বলে সংবাদমাধ্যমকে জানিয়েছেন তিনি। তাঁর স্বামীর দাদা-বৌদিও এই চক্রে জড়িত ছিলেন বলে দাবি করেছেন তরুণী। তবে শেষমেশ বিপদ থেকে নিজেকে বাঁচিয়ে পালাতে সক্ষম হন তিনি, বলে খবরে প্রকাশ।
আরও পড়ুন:
এক্সের (সাবেক টুইটার) ‘উইন্ডসঅফচেঞ্জ৭২’ নামের অ্যাকাউন্ট থেকে ঘটনাটির বিষয়ে জানা গিয়েছে। একটি ভিডিয়োর মাধ্যমে কথাগুলি ভাগ করে নিয়েছেন দাম্পত্য হিংসার শিকার ওই তরুণী। যদিও ভিডিয়োটির সত্যতা যাচাই করেনি আনন্দবাজার ডট কম। প্রায় সাড়ে পাঁচ লক্ষ সমাজমাধ্যম ব্যবহারকারী ভিডিয়োটি দেখেছেন। ঘটনাটি জানতে পেরে শিউরে উঠেছেন নেটাগরিকেরা। অজস্র মন্তব্যও জমা পড়েছে মন্তব্যবাক্সে। দেরিতে হলেও তরুণী যে শেষ পর্যন্ত পুলিশে অভিযোগ দায়ের করেছেন, সে বিষয়টিকে সাধুবাদ জানিয়েছেন অধিকাংশ নেটাগরিক।