ভূতে অনেকে বিশ্বাস রাখেন। তেমনই অনেক মানুষ ভূত শুনলে না কোঁচকান। ভূত বলে আবার কিছু হয় নাকি, এ কথা বলে বিষয়টিই ঘুরিয়ে দেন। ভূত বলে যে কিছু হয় তা হলফ করে কেউ যেমন বলতে পারেন না, তেমনই এমন কিছুই যে হয় না তা-ও হলফ করে বলা সম্ভবপর নয়। শাস্ত্রমতে, পজ়িটিভ শক্তির মতোই আমাদের আশপাশে নেগেটিভ শক্তিও ছড়িয়ে রয়েছে। সকলে তার আভাস পান না ঠিকই। তা বলে যে সেটির অস্তিত্বই নেই এমনটাও ভাবা উচিত নয়। শাস্ত্রমতে, কিছু মানুষ সহজেই নেগেটিভ শক্তির উপস্থিতি বুঝতে পারেন। আশপাশে কোনও অশরীরীর উপস্থিতি রয়েছে কি না তা-ও বুঝে যান এঁরা। তালিকায় কারা রয়েছেন, জেনে নিন।
আরও পড়ুন:
কারা অশুভ শক্তির উপস্থিতি বুঝতে পারেন?
- যে সকল ব্যক্তির কোষ্ঠীতে অষ্টম স্থানে রাহু বসে থাকে, তাঁর সহজেই অশরীরীর উপস্থিতির টের পেয়ে যান বলে মনে করা হয়। রাহু অশুভ শক্তি চেনাতে সাহায্য করে। সেই কারণেই এমনটা হয় বলে জানাচ্ছে শাস্ত্র।
- জ্যোতিষ অনুযায়ী, যে সমস্ত ব্যক্তি রাক্ষস গণের অর্ন্তগত, তাঁরাও অশুভ শক্তির উপস্থিতি বুঝতে পারেন। এঁদের ষষ্ঠেন্দ্রিয় অত্যন্ত সজাগ হয়। তাই আশপাশে কী হচ্ছে তা এঁরা সহজেই টের পান।
আরও পড়ুন:
- শাস্ত্র জানাচ্ছে, যাঁদের উপর কোনও অশুভ গ্রহের দৃষ্টি থাকে, তাঁরাও অশরীরীর উপস্থিতি টের পান।
- মানসিক ভাবে যাঁরা দুর্বল বা ভয় সর্বদা যাঁদের তাড়া করে বেড়ায়, তাঁরাও নাকি অশুভ শক্তির উপস্থিতি টের পান। কারণ, তাঁদের মনকে অশুভ শক্তি সহজেই চালনা করতে পারেন। সেই কারণেই এমনটা হয় বলে জানাচ্ছে শাস্ত্র।