একা একা বিদেশ ভ্রমণ করতে গিয়েছিলেন তরুণী। গভীর সমুদ্রের তলায় স্কুবা ডাইভিংয়ের শখ ছিল তাঁর। শখপূরণ করতে এক তরুণ স্কুবা ডাইভারের সাহায্যে অ্যাডভেঞ্চারে নেমে পড়েছিলেন তিনি। কিন্তু পেশার সুযোগ নিলেন স্কুবা ডাইভার। তরুণীকে একা দেখে জলের তলায় অশালীন স্পর্শ করতে শুরু করেন তিনি। সম্প্রতি সমাজমাধ্যমের পাতায় এমনই একটি ভিডিয়ো ছড়িয়ে পড়েছে (যদিও সেই ভিডিয়োর সত্যতা যাচাই করেনি আনন্দবাজার ডট কম)।
আরও পড়ুন:
‘রোম.উইথ.রাশা’ নামের অ্যাকাউন্ট থেকে ইনস্টাগ্রামের পাতায় একটি ভিডিয়ো পোস্ট করা হয়েছে। সেই ভিডিয়োয় দেখা গিয়েছে যে, এক স্কুবা ডাইভার সমুদ্রের গভীরে এক তরুণীর হাত ধরে সাঁতার কাটছিলেন। কিন্তু পরমুহূর্তেই তরুণীর কোমরে হাত দিয়ে তাঁকে কাছে টেনে নেন তিনি। হাতে, কোমরে স্পর্শ করে জলের তলায় ভাসতে ভাসতে সেই ডাইভার হঠাৎ তরুণীর পা স্পর্শ করতে শুরু করেন। তরুণী তৎক্ষণাৎ সেই ডাইভারকে সরিয়ে দেন।
পুরো ঘটনাটিই ক্যামেরাবন্দি করছিলেন তরুণী। পরে সেই ভিডিয়োটি সমাজমাধ্যমের পাতায় পোস্ট করেন তিনি। তরুণীর নাম রাশা মেডিয়েন। সমাজমাধ্যমে ভ্রমণ সংক্রান্ত ভিডিয়ো পোস্ট করেন তিনি। ইনস্টাগ্রামের পাতায় ৩০ হাজার অনুগামী রয়েছে রাশার। বর্তমানে মিশর ঘুরতে গিয়েছেন তিনি। কিন্তু তিনি ঘুরছেন সম্পূর্ণ একা, সঙ্গীহীন। মিশরের হুরঘাদায় স্কুবা ডাইভিংয়ের প্রশিক্ষণ নিচ্ছিলেন রাশা।
আরও পড়ুন:
এক তরুণ স্কুবা ডাইভার জলের তলায় তাঁকে অশালীন স্পর্শ করেন বলে তরুণীর দাবি। সেই ভিডিয়োটি সমাজমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়তেই ক্ষোভ প্রকাশ করে এক নেটাগরিক লিখেছেন, ‘‘স্কুবা ডাইভিংয়ের প্রশিক্ষণ দেওয়ার সময় মাঝেমধ্যে পর্যটকদের সাহায্য করতে হয়। কিন্তু পরিস্থিতির সুযোগ নিয়ে অশালীন স্পর্শ করা অন্যায়। যে প্রশিক্ষণকেন্দ্র মারফত স্কুবা ডাইভারের খোঁজ পেয়েছেন, তাদের সঙ্গে যোগাযোগ করে তরুণের বিরুদ্ধে অভিযোগ করুন।’’