ফলমূল থেকে মুড়ি-বাদাম, রেলস্টেশনে বিক্রি হওয়া খাদ্যদ্রব্যের সংখ্যা অগণিত। শত ব্যস্ততাতেও পেট ভরাতে লোকজন সে সব খাবার কিনেও খান। কিন্তু সমাজমাধ্যমে ভাইরাল হওয়া কিছু ভিডিয়ো প্রশ্ন তোলে সে সকল খাবারের গুণমান সম্বন্ধে। তেমনই এক ভিডিয়ো ছড়িয়ে পড়ল সমাজমাধ্যমের পাতায়। যে ভিডিয়োয় এক প্রৌঢ়াকে প্ল্যাটফর্মের মেঝেতে বসে শসার গায়ে সবুজ রং করতে দেখা গেল। ভিডিয়ো অনুসারে ঘটনাটি ঘটেছে বিহারের কাটিহার রেলস্টেশনে। যদিও সেই ভিডিয়োর সত্যতা যাচাই করেনি আনন্দবাজার ডট কম।
আরও পড়ুন:
ভাইরাল সেই ভিডিয়োয় দেখা গিয়েছে, প্ল্যাটফর্মে মেঝের উপর বসে রয়েছেন এক প্রৌঢ়া। তাঁর সামনে রাখা দুই ঝুড়িভর্তি খোসা ছাড়ানো শসা। পাশে পড়ে রয়েছে সেগুলির খোসা। কিন্তু একটি ঝুড়ির শসাগুলি অপরটির থেকে অপেক্ষাকৃত বেশি সবুজ এবং সতেজ। সেটি হওয়ার কারণও জানতে পারা গেল। ঝুড়িগুলির পাশেই রাখা রয়েছে এক মগ সবুজ রং। একটি ঝুড়ি থেকে শসা তুলে প্রৌঢ়া সেই রঙে শসাগুলি ডুবিয়ে অপর ঝুড়িতে রাখছেন। ফ্যাকাসে শসা রঙে ডুব দিয়ে হয়ে উঠছে সতেজ এবং সবুজ। প্রৌঢ়া যে ক্রেতাদের আকৃষ্ট করার জন্য এ কাজ করছেন তা আর বলার বাকি রাখে না। প্ল্যাটফর্মের লোকজন দাঁড়িয়ে প্রৌঢ়ার সেই কীর্তি চাক্ষুষ করছেন। কিন্তু তাতে তাঁর কিছু যাচ্ছে-আসছে না। তিনি নির্বিকার মুখে শসার গায়ে রং চড়িয়ে যাচ্ছেন। সেই ভিডিয়োই ছড়িয়ে পড়েছে সমাজমাধ্যমের পাতায়।
আরও পড়ুন:
আরও পড়ুন:
‘দ্যলজিক্যালইন্ডিয়ান’ নামের ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্ট থেকে ভিডিয়োটি পোস্ট করা হয়েছে। ভিডিয়োটি বিপুল পরিমাণে ভাইরাল হয়েছে। ইতিমধ্যে প্রায় ২৬ হাজার নেটাগরিক ভিডিয়োটিতে প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন। প্রৌঢ়ার কাণ্ডে ক্ষুদ্ধ নেটমাধ্যম। এক নেটাগরিক মন্তব্য করেছেন, ‘‘বিহারেই এ সব হয়।’’ অপর এক নেটাগরিক মন্তব্য করেছেন, ‘‘সাধারণ মানুষ কোনও কিছুই আর নিশ্চিন্ত মনে খেতে পারবেন না।’’