Advertisement
E-Paper

ফোনে কথা বলার সময় বিরক্তি, রেগে সন্তানকে পর পর লাথি মারলেন তরুণী মা! ছিটকে পড়ল শিশু, ভাইরাল ভিডিয়ো

ভাইরাল ভিডিয়োয় দেখা গিয়েছে, একটি আবাসনের সিঁড়ির কাছে দাঁড়িয়ে ফোনে কথা বলছেন এক তরুণী। সামনে দাঁড়িয়ে রয়েছে দুই শিশু। ফোনে কথা বলতে বলতে হঠাৎ ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠেন তরুণী।

আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক

শেষ আপডেট: ১২ জানুয়ারি ২০২৬ ১২:১০
Video claims a mother kicks son angrily while talking in phone

ছবি: এক্স থেকে নেওয়া।

সিঁড়িতে দাঁড়িয়ে ফোনে কথা বলছিলেন মা। সামনে দাঁড়িয়ে ছিল ছোট সন্তান। ফোনে কথা বলতে বলতে হঠাৎই সেই সন্তানকে লাথি মারলেন তিনি! চিৎকার করে কাঁদতে শুরু করল শিশুটি। অমানবিক তেমনই একটি ঘটনার ভিডিয়ো সম্প্রতি প্রকাশ্যে এসেছে। ভাইরাল হয়েছে ভিডিয়োটি। হইচই পড়ে গিয়েছে সমাজমাধ্যমে। যদিও সেই ভিডিয়োর সত্যতা যাচাই করেনি আনন্দবাজার ডট কম। ঘটনাটি কোথায় এবং কবে ক্যামেরাবন্দি করা হয়েছে, তা-ও ওই ভিডিয়ো থেকে স্পষ্ট নয়।

ভাইরাল সেই ভিডিয়োয় দেখা গিয়েছে, একটি আবাসনের সিঁড়ির কাছে দাঁড়িয়ে ফোনে কথা বলছেন এক তরুণী। সামনে দাঁড়িয়ে রয়েছে দুই শিশু। ফোনে কথা বলতে বলতে হঠাৎ ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠেন তরুণী। দু’জন শিশুর মধ্যে যে সামনে দাঁড়িয়ে ছিল, তাকে হঠাৎ লাথি মারেন। ছিটকে পড়ে যায় শিশুটি। এর পর এগিয়ে গিয়ে আবারও ওই শিশুকে একটি লাথি মারেন তরুণী। কাঁদতে শুরু করে ওই শিশু। সেই ভিডিয়োই প্রকাশ্যে এসেছে। ভিডিয়োয় দাবি, তরুণী ওই শিশুটির মা।

ভাইরাল ভিডিয়োটি পোস্ট করা হয়েছে ‘ঘর কা কলেশ’ নামের একটি এক্স হ্যান্ডল থেকে। ইতিমধ্যেই বহু মানুষ দেখেছেন সেই ভিডিয়ো। লাইক এবং কমেন্টের বন্যা বয়ে গিয়েছে। কড়া প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন নেটাগরিকেরা। ভিডিয়োটি দেখে নেটাগরিকদের অনেকে যেমন বিস্ময় প্রকাশ করেছেন, তেমনই অনেকে আবার ক্ষোভপ্রকাশ করেছেন। তরুণীকে ‘অমানবিক’ তকমা দিয়ে তাঁর শাস্তির দাবিতে সরব হয়েছেন নেটাগরিকদের একাংশ। অভিভাবকত্ব এবং শিশুকল্যাণ নিয়েও বিতর্ক শুরু হয়েছে নেটপাড়ায়। এক নেটাগরিক ভিডিয়োটি দেখার পর লিখেছেন, ‘‘যদি সন্তানের সঙ্গে ভাল ব্যবহার না করতে পারেন, যদি যত্ন না নিতে পারেন, তা হলে জন্ম দিয়েছেন কেন? অমানবিক আচরণ। তরুণীর শাস্তি হওয়া উচিত।’’

Viral Video Mother-Son
Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy