কথায় কথায় মারধর করতেন স্ত্রী। ব্যাটপেটাও করতেন। দীর্ঘ দিন সহ্য করে ল্যাপটপের ক্যামেরায় তাঁর উপর হওয়া অত্যাচার ক্যামেরাবন্দি করলেন যুবক। সেই ভিডিয়ো প্রকাশ্যে আসতেই হইচই পড়ল নেটপাড়ায়। ভিডিয়োটি ইতিমধ্যেই ভাইরাল হয়েছে। ব্যাপক বিতর্ক এবং সমালোচনার জন্ম দিয়েছে। যদিও সেই ভিডিয়োর সত্যতা যাচাই করেনি আনন্দবাজার ডট কম। ঘটনাটি কবে এবং কোথায় ক্যামেরাবন্দি করা হয়েছে, তা-ও ওই ভিডিয়ো থেকে স্পষ্ট নয়।
আরও পড়ুন:
ভাইরাল সেই পোস্ট অনুযায়ী, ওই যুবক প্রায় দুই বছর ধরে নির্যাতন সহ্য করছিলেন। সহ্যের সীমা পেরিয়ে গেলে তিনি তাঁর উপর হওয়া অত্যাচার রেকর্ড করতে শুরু করেন। ল্যাপটপে রেকর্ড করা ক্লিপগুলোতে দেখা গিয়েছে, উত্তপ্ত বাগ্বিতণ্ডার সময় স্ত্রী তাঁকে শারীরিক ভাবে আক্রমণ করছেন। চশমা টেনে খুলে নিয়ে স্বামীকে চড় মারছেন তিনি। বার বার আঘাত করছেন। এমনকি চুলের মুঠি ধরেও স্বামীকে মারধর করতে দেখা যায় ওই বধূকে। একই সঙ্গে থাকা অন্য একটি ভিডিয়োয় দেখা গিয়েছে, ওই যুবককে ব্যাট দিয়ে মারছেন তাঁর স্ত্রী। পুরো ভিডিয়োতেই তাঁদের বাংলায় কথা বলতে দেখা গিয়েছে। সেই ভি়ডিয়োই প্রকাশ্যে এসেছে।
আরও পড়ুন:
ভাইরাল ভিডিয়োটি শেয়ার করা হয়েছে ‘বিশাল’ নামের একটি এক্স হ্যান্ডল থেকে। ভিডিয়ো শেয়ার করে ব্যবহারকারী ক্যাপশনে লিখেছেন, “গত দুই বছর ধরে নির্যাতিত হওয়ার পর ভাইটি তাঁর ল্যাপটপে এই ক্লিপগুলো রেকর্ড করেছেন। বিয়ে করার আগে দু’বার ভাবুন।’’ ইতিমধ্যেই বহু মানুষ দেখেছেন সেই ভিডিয়ো। লাইক এবং কমেন্টের বন্যা বয়ে গিয়েছে। মিশ্র প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন নেটাগরিকেরা। ভিডিয়োটি দেখার পর নেটাগরিকদের অনেকে যেমন বিস্ময় প্রকাশ করেছেন, তেমনই আবার উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন অনেকে। ওই বধূর শাস্তির দাবিতে সরবও হয়েছেন নেটাগরিকদের একাংশ। পোস্টটি দ্রুত ভাইরাল হওয়ায় তা ব্যাপক প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি করেছে সমাজমাধ্যমে। বিতর্ক এবং সমালোচনার জন্ম দিয়েছে। পুরুষদের উপর সংঘটিত গার্হস্থ্য হিংসা নিয়েও প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। এক নেটাগরিক ভিডিয়োটি দেখার পর লিখেছেন, ‘‘বিয়ে খুব ভয়ের। আমি সত্যিই ভয় পাচ্ছি।’’ অন্য এক জন লিখেছেন, ‘‘মহিলাদের উপর গার্হস্থ্য হিংসা বেশি হওয়ার কথা যেমন সত্যি, তেমনই পুরুষদের উপর হওয়া অত্যাচার নিয়ে বিশেষ কথা হয় না, এ কথাও সত্যি।’’ তৃতীয় এক জন আবার লিখেছেন, ‘‘সত্যিমিথ্যা জানি না। তবে মনে হচ্ছে ওই যুবক অত্যাচারিত। আর তা যদি হয় তা হলে মহিলাকে রক্ষা করার জন্য সেই তথাকথিত নারীবাদীরা কোথায়?”