রাতে ছাত্রদের খাবার পরিবেশন করা হলে সকলে মিলে খাওয়াদাওয়া করতে বসেছিলেন। কিন্তু তরকারি মুখে দিতেই বাজে গন্ধ পান ছাত্রেরা। তাঁদের অভিযোগ, তরকারিতে একটি মরা টিকটিকি খুঁজে পেয়েছেন সকলে। তা নিয়ে সোজা ক্যান্টিনে ছুটলেন ছাত্রেরা। খাবারের মান নিয়ে ক্যান্টিনের কর্মীর কাছে অভিযোগ জানালে তা নস্যাৎ করে দেন তিনি। ক্যান্টিনের কর্মীর দাবি, সেটি মরা টিকটিকি নয়, ক্যাপসিকামের টুকরো। সেই দাবি করেই ছাত্রের হাত থেকে ‘মরা টিকটিকি’ নিয়ে সকলের সামনে খেয়ে ফেললেন ক্যান্টিনকর্মী। সম্প্রতি সমাজমাধ্যমের পাতায় এমনই একটি ভিডিয়ো ছড়িয়ে পড়েছে (যদিও সেই ভিডিয়োর সত্যতা যাচাই করেনি আনন্দবাজার ডট কম)।
আরও পড়ুন:
‘দ্য তত্ত্ব’ নামের অ্যাকাউন্ট থেকে এক্স (সাবেক টুইটার) হ্যান্ডলের পাতায় একটি ভিডিয়ো পোস্ট করা হয়েছে। সেই ভিডিয়োয় দেখা গিয়েছে যে, এক তরুণ তরকারি থেকে ‘মরা টিকটিকি’ খুঁজে পেয়েছেন। তা দেখে সোজা ক্যান্টিনে ছুটলেন ছাত্রেরা। ক্যান্টিনে গিয়ে অশান্তি শুরু করলেন তাঁরা। কিন্তু ছাত্রদের অভিযোগ উড়িয়ে দিলেন ক্যান্টিনকর্মী। তাঁর দাবি, ‘মরা টিকটিকি’ নয়। সেটি ক্যাপসিকামের টুকরো। তা বলেই মুখে ‘মরা টিকটিকি’ ভরে ফেললেন তিনি।
জানা গিয়েছে, রবিবার রাতে এই ঘটনাটি ভোপালের একটি ক্যান্টিনে ঘটেছে। ছাত্রদের দাবি, সেই রাতে তাঁদের ভাত অথবা রুটির সঙ্গে ডাল এবং ক্যাপসিকামের তরকারি খেতে দেওয়া হয়েছিল। তরকারি থেকে দুর্গন্ধ বেরোনোয় ছাত্রেরা দেখেন, সেখানে ‘মরা টিকটিকি’ ভাসছে। রবিবার রাতের ঘটনার ভিডিয়োটি সোমবার সমাজমাধ্যমের পাতায় ছড়িয়ে পড়ে।
সোমবার সেখানকার ভাইস চান্সেলরের দফতরের সামনে বিক্ষোভও জানিয়েছিলেন ছাত্রেরা। ছাত্রদের আরও অভিযোগ, খাবারের খারাপ মান নিয়ে এর আগেও বহু বার ক্ষোভপ্রকাশ করেছেন তাঁরা। কিন্তু কর্তৃপক্ষের তরফে কোনও পদক্ষেপ করা হয়নি। অন্য দিকে, ক্যান্টিনের কর্মীর দাবি, ক্যাপসিকামের টুকরোকে ‘মরা টিকটিকি’ ভেবে ভুল করেছেন ছাত্রেরা। ছাত্রদের দাবি, কর্তৃপক্ষের তরফে এই বিষয়ে তদন্ত করা হোক।