মধ্যপ্রদেশের ভেড়াঘাটের ধুয়াঁধার জলপ্রপাতে দুঃসাহসিক ঝাঁপ দিয়ে হইচই ফেললেন এক তরুণ। পর্যটকদের সামনেই শক্তিশালী ওই জলপ্রপাতে লাফ দেন তিনি। তরুণের জলপ্রপাতে ঝাঁপানো পর্যটকদের যেমন হতবাক করে দিয়েছে, তেমন অনেকেই এটিকে ‘অলিম্পিক্স স্তরের’ ঝাঁপ বলে তুলনা করেছেন। সেই ঘটনার ভিডিয়োটি ইতিমধ্যেই প্রকাশ্যে এসেছে। ভাইরাল হয়েছে ভিডিয়োটি। যদিও সেই ভিডিয়োর সত্যতা যাচাই করেনি আনন্দবাজার ডট কম।
আরও পড়ুন:
ভিডিয়োতে দেখা গিয়েছে, গর্জনরত জলপ্রপাতের পাথুরে কিনারায় দাঁড়িয়ে রয়েছেন স্থানীয় এক তরুণ। একটি সেতুর উপর থেকে ভিড় করে দাঁড়িয়ে তাঁকে দেখছেন পর্যটকেরা। এর পর সরাসরি নর্মদা নদীর জলে ঝাঁপ দিতে দেখা যায় তরুণকে। তরুণ জলপ্রপাতের গভীরে অদৃশ্য হওয়ার কিছু ক্ষণ পরেই আবার নিরাপদে ভেসে ওঠেন। সেই ভিডিয়োই প্রকাশ্যে এসেছে।
আরও পড়ুন:
ভাইরাল ভিডিয়োটি পোস্ট করা হয়েছে ‘দ্য_ইন্ডিয়া_রিপোর্ট’ নামের ইনস্টাগ্রাম হ্যান্ডল থেকে। সেখানে ওই তরুণকে আশিস ঠাকুর বলে উল্লেখ করা হয়েছে। পোস্টে এ-ও দাবি করা হয়েছে, জলপ্রপাতে বিপজ্জনক ভাবে ঝাঁপ দেওয়ার অভিজ্ঞতার জন্য স্থানীয়দের মধ্যে ব্যাপক জনপ্রিয় আশিস। ইতিমধ্যেই বহু মানুষ তরুণের জলপ্রপাতে ঝাঁপ দেওয়ার সেই ভিডিয়ো দেখেছেন। লাইক এবং কমেন্টের বন্যা বয়ে গিয়েছে। ভিডিয়োটি দেখার পর নেটাগরিকদের অনেকে যেমন মজার মজার মন্তব্য করেছেন, তেমনই আবার বিস্ময় প্রকাশ করেছেন অনেকে। তরুণের জলপ্রপাতে ঝাঁপানোর সঙ্গে ‘বাহুবলী’ সিনেমার একটি দৃশ্যেরও মিল পেয়েছেন নেটাগরিকদের একাংশ। আবার অনেকে তাঁর ঝাঁপকে ‘অলিম্পিক্স স্তরের’ ঝাঁপ বলে মন্তব্য করেছেন। এক নেটাগরিক ভিডিয়োটি দেখার পর লিখেছেন, ‘‘সত্যিকারের বাহুবলী। তরুণ টাকা উপার্জনের মরিয়া চেষ্টার কারণেই এটা করছেন। তাঁর এই দক্ষতার জন্য তাঁকে লাইফগার্ড হিসাবে নিয়োগ করা উচিত। এতে তিনি জীবিকা নির্বাহও করতে পারবেন।” অন্য এক জন আবার লিখেছেন, ‘‘অলিম্পিক্সের সাঁতারুরা এ রকম ভাবে জলে ঝাঁপ দেয়। নিঃসন্দেহে তরুণ দক্ষ। কিন্তু যে কোনও সময় দুর্ঘটনাও ঘটতে পারে।”
আরও পড়ুন:
মধ্যপ্রদেশের জব্বলপুরের কাছে ভেড়াঘাট এলাকায় অবস্থিত ধুয়াঁধার জলপ্রপাত দেশের অন্যতম বিখ্যাত পর্যটনকেন্দ্র। প্রায় ৩০ মিটার উঁচু থেকে জলের প্রবল আছড়ে পড়ার কারণে সৃষ্ট কুয়াশাচ্ছন্ন রূপ এবং এর তীব্র স্রোতের জন্য বিশেষ ভাবে পরিচিত জলপ্রপাতটি। ধুয়াঁধার জলপ্রপাতকে ‘ভারতের নায়াগ্রা’ও বলা হয়।