Advertisement
E-Paper

‘তোমার ক্ষতি করতে পারি’! বিভাগীয় প্রধানের বিরুদ্ধে বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রীকে হুমকির অভিযোগ, নিন্দার ঝড় নেটপাড়ায়

সম্প্রতি ভাইরাল হওয়া একটি ভিডিয়োয় এক তরুণী অভিযোগ জানিয়েছেন, তাঁর ক্ষতি করে দেওয়ার হুমকি দিয়েছেন তাঁর বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভাগীয় প্রধান। ভিডিয়ো থেকে জানা গেছে, তিনি দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রী। তাঁর দাবি, কিছু দিন আগে এক অধ্যাপকের সমালোচনা করে ভিডিয়ো পোস্ট করায় সেগুলি মুছে দিতে নির্দেশ দেওয়া হয়।

আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক

শেষ আপডেট: ২৬ মে ২০২৬ ১৬:১৬

ছবি: ভিডিয়ো থেকে নেওয়া।

বলা হয়ে থাকে, মা-বাবার পরেই আমাদের শিক্ষকদের স্থান। তাঁদের কাছেই আমরা পড়াশোনা তো শিখিই, জীবনপথে কী ভাবে চলতে হবে, সে শিক্ষাও দিয়ে থাকেন তাঁরা। কিন্তু অনেক ক্ষেত্রেই এর ব্যতিক্রমও ঘটে থাকে। কোনও কোনও শিক্ষক আবার এর সম্পূর্ণ বিপরীত পথে হাঁটেন। সম্প্রতি এমনই এক তিক্ত ঘটনা ছড়িয়ে পড়েছে সমাজমাধ্যমে।

‘আইঅ্যামরাজশেখাওয়াত’ নামক ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্ট হ্যান্ডেল থেকে একটি ভিডিয়ো পোস্ট করা হয়েছে। এক তরুণীকে কাঁদতে কাঁদতে ভিডিয়োটি করতে দেখা গেছে। যদিও ভিডিয়োটির সত্যতা যাচাই করেনি আনন্দবাজার ডট কম। ভিডিয়ো থেকে জানা গিয়েছে দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রী তিনি। নিজের নাম চিত্রা বলে জানান তিনি। ওই ছাত্রীর দাবি, কিছু দিন আগে এক অধ্যাপকের সমালোচনা করে ভিডিয়ো পোস্ট করেন তিনি। এর পর তাঁকে বিভাগীয় প্রধান ডেকে পাঠান এবং ভিডিয়োটি মুছে দিতে বলেন বলে জানান তরুণী। তিনি তাতে রাজি না হলে তাঁকে প্রায় হুমকি দেওয়া হয় এবং ওই অধ্যাপকের সঙ্গে বিষয়টি মিটিয়ে নিতে বলা হয়, এমনটাই দাবি তাঁর।

ওই ছাত্রী বলেছেন তাঁকে এই বলে হুমকি দেওয়া হয়েছে যে, “তুমি বিশ্ববিদ্যালয়ের একটি অতি ক্ষুদ্র অংশ এবং আমরা অনেক ক্ষতি করতে পারি।” তাঁর অ্যাডমিটও বিশ্ববিদ্যালয় থেকে দেওয়া হয়নি বলে জানান তিনি। এ-ও জানান যে তাঁর সহপাঠীরাও কেউই এমন পরিস্থিতিতে তাঁর পাশে নেই। বরং তাঁর বিরুদ্ধেই রয়েছেন। কিন্তু ওই ছাত্রী জানান যে তিনি কোনও মতেই মাথা নোয়াবেন না। কেননা, তিনি নিজের যোগ্যতায় দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনা করার সুযোগ পেয়েছেন। কারও দয়ায় নয়।

ভিডিয়োটি সমাজমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর শিক্ষাব্যবস্থা এবং ছাত্রছাত্রীদের নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। বেশির ভাগ নেটাগরিকই ওই ছাত্রীকে সমর্থন করেছেন। এক সমাজমাধ্যম ব্যবহারকারী লিখেছেন, “দয়া করে এই বোনকে সমর্থন করুন এবং অধ্যাপককে গ্রেপ্তার করুন।” অপর এক নেটাগরিক লিখেছেন, “আপনি যদি সঠিক হন, তাহলে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের উচিত বিষয়টি নিয়ে একটি নিরপেক্ষ তদন্ত করা।”

Delhi delhi university Proffesor
Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy