Advertisement
E-Paper

ভাই আর মায়ের ছদ্মবেশে কন্যাদান করলেন স্বামী ও শাশুড়ি! বিয়ের পর প্রকাশ্যে ভয়ঙ্কর সত্য, শ্রীঘরে স্বামী-সহ ‘ঠগিনী’

বিয়ের পর কনেকে নাকা চন্দ্রবদনীর শ্বশুরবাড়িতে নিয়ে আসা হয়। বিয়ের পর পরিবারের লোকজন লক্ষ করেন যে দীক্ষা প্রায়ই ফোনে কারও সঙ্গে চ্যাট করেন। দীক্ষার স্বামী রতন সন্দেহ করতে শুরু করেন স্ত্রীকে।

আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক

শেষ আপডেট: ২৬ মে ২০২৬ ১৫:৩১

ছবি: (এআই সহায়তায় প্রণীত)।

স্বামীকে ভাই সাজিয়ে বিয়ের পিঁড়িতে বসলেন তরুণী। লক্ষ লক্ষ টাকার গয়না ও নগদ টাকা লুট করে নিয়ে পালানোর ফাঁদ পেতেছিলেন তাঁরা। বেসরকারি হাসপাতালে কর্মরত এক তরুণের সঙ্গে সাত পাক ঘোরার পর এই প্রতারণা ফাঁস হয়ে যায়। সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুসারে ঘটনাটি মধ্যপ্রদেশের গ্বালিয়রের। যে যুবকের সঙ্গে তরুণীর বিয়ে দেওয়া হয়েছিল, পরে জানা যায় যে তিনি আগে থেকেই বিবাহিত ছিলেন। সবচেয়ে আশ্চর্যজনক বিষয় হল, যে ব্যক্তি তাঁর ভাই সেজে কন্যাদান করেছিলেন, তিনিই তরুণীর আসল স্বামী! বিবাহের আসরে উপস্থিত ছিলেন তরুণীর শাশুড়িও।

সংবাদ প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, ঝাঁসি রোডের নাকা চন্দ্রবদনী এলাকার বাসিন্দা রতন শর্মা জবলপুরের একটি বেসরকারি হাসপাতালের জরুরি বিভাগে কর্মরত। তাঁর পরিবারে পাঁচ ভাই। কারওরই বিয়ে হয়নি। পরিবারটি বিবাহ উপযুক্ত পাত্রী খুঁজছিল। প্রতিবেশী সোনু তিওয়ারি এই পরিস্থিতির সুযোগ নেন। তিনি রতনের ভাই গোবিন্দকে জানান যে, মোরেনার বাসিন্দা তাঁর এক বন্ধু সোনু ওরফে অজয় চহ্বান পালিত বোন রাধা ওরফে দীক্ষা মুদগলের জন্য পাত্রী খুঁজছেন। তাঁকে বিশ্বাস করে রতনের মা ও ভাই পাত্রী দেখতে যান। পাত্রী পছন্দ হওয়ার পর সম্বন্ধ চূড়ান্ত হয়। রতন জবলপুর থেকে গ্বালিয়ের আসেন। চলতি বছরের ২৭ এপ্রিল, অভিযুক্ত সোনু ওরফে অজয় পাত্রীর ভাই সেজে পাকা দেখার অনুষ্ঠান সম্পন্ন করেন। গত ৭ মে পাটানকার স্কোয়্যারের সুখসাগর হোটেলে হিন্দু রীতি মেনে তাঁদের বিয়ে সম্পন্ন হয়। এই বিয়েতে প্রায় ৭ লক্ষ টাকা খরচ হয়েছিল বলে দাবি রতনের পরিবারে। সোনু ও সোনুর মা দু’জনে মিলে কন্যাদানও করেন বলে দাবি।

বিয়ের পর কনেকে তাঁদের নাকা চন্দ্রবদনীর বাড়িতে নিয়ে আসা হয়। বিয়ের পর পরিবারের লোকজন লক্ষ করেন যে দীক্ষা প্রায়ই ফোনে কারওর সঙ্গে চ্যাট করেন। দীক্ষার স্বামী রতন সন্দেহ করতে শুরু করেন স্ত্রীকে। দীক্ষা ঘুমিয়ে পড়লে মোবাইল ফোনে হোয়াট্‌সঅ্যাপ চ্যাট দেখে তিনি হতবাক হয়ে যাযন। সেই চ্যাটেই ফাঁস হয়ে যায় সোনু ওরফে অজয়, যিনি ভাই সেজে বিয়ের ব্যবস্থা করেছিলেন, তিনিই দীক্ষার আসল স্বামী। পরে দীক্ষা কবুল করেন যে ২০২৪ সালে আগরার আর্য সমাজ মন্দিরে তাঁদের বিয়ে হয়। তাঁরা স্বামী-স্ত্রী হিসাবেই বসবাস করছিলেন। রতন বুঝতে পারেন যে এই পুরো চক্রটি পরিকল্পিত ভাবে বিয়ের ব্যবস্থা করে লক্ষ লক্ষ টাকার গয়না ও নগদ টাকা লুট করার পরিকল্পনা করছিল।

রতন সঙ্গে সঙ্গে তার পরিবারকে খবর দিয়ে, নববধূকে ঝাঁসি রোড থানায় যান। রাধা ওরফে দীক্ষা, সোনু ওরফে অজয়, সোনু তিওয়ারি-সহ আরও বেশ কয়েক জনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করে তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ। দীক্ষার স্বামী সোনু ওরফে অজয়কে হেফাজতে নিয়েছে তারা।

Fraud Madhyapradesh
Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy