Advertisement
E-Paper

পঞ্চায়েতের ৪ সদস্য আক্রান্ত, বন্ধ অফিস  

স্বাস্থ্য দফতর সূত্রে জানা গিয়েছে, করোনায় আক্রান্ত ৪ সদস্যের মধ্যে একজন ক্যানসারে আক্রান্ত। তাঁকে ব্যারাকপুরের একটি সরকারি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

নিজস্ব সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ২২ জুলাই ২০২০ ০৩:৪৯
প্রতীকী ছবি

প্রতীকী ছবি

বনগাঁ ব্লকের কালুপুর পঞ্চায়েতের ৪ পঞ্চায়েত সদস্য করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হলেন। বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে পঞ্চায়েত অফিস। বনগাঁর বিএমওএইচ মৃগাঙ্ক সাহা রায় বলেন, ‘‘কালুপুর পঞ্চায়েতের ৪ জন সদস্যের রিপোর্ট মঙ্গলবার সকালে পেয়েছি। সকলেই করোনা পজ়িটিভ।’’ বনগাঁর বিডিও সঞ্জয়কুমার গুছাইত জানিয়েছেন, দমকলের সঙ্গে যোগাযোগ করে পঞ্চায়েত অফিসটি জীবাণুমুক্ত করার ব্যবস্থা করা হচ্ছে।

স্বাস্থ্য দফতর সূত্রে জানা গিয়েছে, করোনায় আক্রান্ত ৪ সদস্যের মধ্যে একজন ক্যানসারে আক্রান্ত। তাঁকে ব্যারাকপুরের একটি সরকারি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। অন্য একজনকে নিউটাউনে কোভিড হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। বাকি দু’জনকে বাড়িতে রেখেই চিকিৎসা করা হচ্ছে।

কালুপুর পঞ্চায়েতে এলাকায় মোট আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়াল ১১ জন। পঞ্চায়েত থেকে আগেই এলাকার বাজারহাট-দোকানপাট খুলে রাখার সময় নিয়ন্ত্রণ করা হচ্ছিল। এত দিন সকাল থেকে বেলা ১টা পর্যন্ত আনাজ ও মাছের বাজার, এবং মুদি দোকান খোলা থাকছিল। প্রশাসন সূত্রে জানানো হয়েছে, বুধবার থেকে বাজার দোকানপাট সকাল থেকে ১০টা পর্যন্ত খোলা থাকবে।

স্বাস্থ্য দফতর সূত্রে জানা গিয়েছে, মঙ্গলবার বনগাঁ ব্লকেরই গাঁড়াপোতা এলাকায় এক পরিযায়ী শ্রমিক করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন। সব মিলিয়ে বনগাঁ ব্লক এলাকায় করোনায় আক্রান্তের সংখ্যা মঙ্গলবার পর্যন্ত ৫৭ জন। মহকুমার ব্লকগুলির মধ্যে সব থেকে বেশি আক্রান্ত এখন বনগাঁ ব্লকেই।

তারপর আছে গাইঘাটা ব্লক। সেখানে আক্রান্তের সংখ্যা ৫৫ জন। গাইঘাটার বিএমওএইচ সুজন গায়েন বলেন, ‘‘সোমবার চাঁদপাড়া এলাকার এক ব্যক্তি করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন। সোমবার তাঁর রিপোর্ট পেয়েছি। তিনি পঞ্চায়েতের এক জনপ্রতিনিধির দাদা। আক্রান্ত ব্যক্তি আগে থেকেই অন্য অসুস্থতা নিয়ে কলকাতার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।’’

বাগদা ব্লকে মঙ্গলবার পর্যন্ত করোনায় আক্রান্তের সংখ্যা ২৭ জন। সোমবার এক পুলিশ অফিসার সহ দু’জন করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন বলে জানিয়েছেন বাগদার বিএমওএইচ প্রণব মল্লিক। স্বাস্থ্য দফতর সূত্রে জানা গিয়েছে, আক্রান্ত পুলিশ অফিসারকে কলকাতার বেসরকারি নার্সিংহোমে ভর্তি করা হয়েছে। আক্রান্ত এক মহিলাকে বাড়িতে রেখেই চিকিৎসা করা হচ্ছে। তাঁর কোনও উপসর্গ নেই। ওই মহিলার এক আত্মীয় আগে করোনায় আক্রান্ত হয়েছিলেন।

এ দিকে, বনগাঁ ব্লকে একের পর এক পঞ্চায়েত এবং পঞ্চায়েত সমিতির সদস্য আক্রান্ত হওয়ায় দু’টি পঞ্চায়েত বন্ধ হয়ে গিয়েছে। পঞ্চায়েত সমিতির অফিস কার্যত বন্ধ। জনপ্রতিনিধিরা কেউ আসছেন না। দু’টি পঞ্চায়েত অফিস বন্ধ থাকায় মানুষের স্বাভাবিক পরিষেবা পেতে অসুবিধা হচ্ছে। জাতিগত শংসাপত্র, রোজগারের শংসাপত্র, স্থায়ী ঠিকানার শংসাপত্র-সহ সব রকমের কাজই এখন বন্ধ হয়ে গিয়েছে। খাজনা জমা, রাস্তাঘাট সংস্কারের কাজ বন্ধ। প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে, শীঘ্রই দু’টি পঞ্চায়েত এবং পঞ্চায়েত সমিতির স্বাভাবিক কাজকর্ম শুরু করা হবে।

Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy