Advertisement
E-Paper

টুকরো খবর

মিনাখাঁর নবম শ্রেণির স্কুলছাত্র বনমালী মণ্ডলকে খুনে ব্যবহৃত দা খুঁজে পেল পুলিশ। ওই ঘটনায় ধৃত ছ’জনের মধ্যে তিন জনকে নিজেদের হেফাজতে নিয়ে জেরা করার পরে ঘটনাস্থল থেকে ওই অস্ত্র উদ্ধার করা হয়। মূল অভিযুক্ত-সহ বাকি তিন জনকে একটি হোমে পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল। আজ, মঙ্গলবার তাদের সল্টলেকের জুভেনাইল আদালতে তোলার কথা।

শেষ আপডেট: ০৫ অগস্ট ২০১৪ ০০:১২

মিনাখাঁয় ছাত্র খুন, উদ্ধার দা

নিজস্ব সংবাদদাতা • বসিরহাট

মিনাখাঁর নবম শ্রেণির স্কুলছাত্র বনমালী মণ্ডলকে খুনে ব্যবহৃত দা খুঁজে পেল পুলিশ। ওই ঘটনায় ধৃত ছ’জনের মধ্যে তিন জনকে নিজেদের হেফাজতে নিয়ে জেরা করার পরে ঘটনাস্থল থেকে ওই অস্ত্র উদ্ধার করা হয়। মূল অভিযুক্ত-সহ বাকি তিন জনকে একটি হোমে পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল। আজ, মঙ্গলবার তাদের সল্টলেকের জুভেনাইল আদালতে তোলার কথা। মোবাইল বিক্রির টাকা নিয়ে গণ্ডগোলের জেরে শনিবার রাতে মিনাখাঁর কুমারজোল পঞ্চায়েতের ঝিকরা গ্রামের বাসিন্দা বনমালীকে বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে গিয়ে কুপিয়ে খুনের অভিযোগ ওঠে তারই পুরনো এক সহপাঠী-সহ ছ’জনের বিরুদ্ধে। বাজারের থলিতে মুখ ঢুকিয়ে দা দিয়ে কোপানো হয়েছিল বনমালীকে। স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, মূল অভিযুক্ত ওই সহপাঠী কিছু দিন ধরে স্কুল ছেড়ে বাসের খালাসির কাজ করছিল। তার সহকারীদের মধ্যে দু’জন বনমালীর স্কুলেরই নবম ও দশম শ্রেণির ছাত্র। বাকি যে তিন জনকে পুলিশ নিজেদের হেফাজতে নিয়েছে, তাদের জিজ্ঞাসাবাদের জন্য সোমবার মিনাখাঁয় যান জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ভাস্কর মুখোপাধ্যায় ও বসিরহাটের এসডিপিও অভিজিৎ বন্দ্যোপাধ্যায়। জেরায় জানা গিয়েছে, দু’জন অল্প বয়স থেকেই বিভিন্ন অপরাধমূলক কাজকর্মে জড়িয়ে পড়ে। ধৃত এক জনের বিরুদ্ধে মহিলাকে শারীরিক নিগ্রহের অভিযোগও উঠেছিল আগে। পুলিশ আরও জানতে পেরেছে, মূল অভিযুক্ত ওই যুবকের সঙ্গে গ্রামেরই এক কিশোরীর সম্পর্ক ছিল। পরবর্তীকালে ওই কিশোরীর সঙ্গে বনমালীর সম্পর্ক তৈরি হয়। পুলিশের দাবি, সেই প্রতিহিংসাতেই মোবাইল বিক্রির টাকা নিয়ে গোলমাল বাধিয়ে বনমালীকে খুনের ছক কষে তার পুরনো বন্ধু।

ছাত্রের মৃত্যু কাকদ্বীপে

নিজস্ব সংবাদদাতা • কাকদ্বীপ

অস্বাভাবিক মৃত্যু হল এক বিএড পরীক্ষার্থীর। রবিবার রাতে ঘটনাটি ঘটেছে কাকদ্বীপের দক্ষিণ গোবিন্দরামপুর গ্রামে। পুলিশ জানিয়েছে, মৃত ছাত্রের নাম সন্তু করণ (২২)। তিনি কাকদ্বীপ বিএড কলেজের ছাত্র ছিলেন। পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, দিন কয়েক আগে তাঁর বিএডের পরীক্ষা শেষ হয়েছিল। তারপর থেকে তিনি মনমরা হয়ে বাড়িতে বসে থাকতেন। এ দিন রাতে ঘরের মধ্যে তাঁকে গলায় গামছার ফাঁস লাগানো অবস্থায় দেখতে পায় পরিবারের লোকজন। পরে তাঁকে কাকদ্বীপ মহকুমা হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে চিকিৎসকরা মৃত বলে ঘোষণা করেন। প্রাথমিক তদন্তে পুলিশের অনুমান, পরীক্ষা খারাপ হওয়ায় মানসিক অবসাদে ভুগছিলেন ওই যুবক। একটি অস্বাভাবিক মৃত্যুর মামলা রুজু করে দেহ ময়না-তদন্তের জন্য হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে মৃত্যু

নিজস্ব সংবাদদাতা • কাকদ্বীপ

বিদু্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে মৃত্যু ঘটল কাকদ্বীপ থানার সিভিক পুলিশের। সোমবার বিকেলে ঘটনাটি ঘটেছে কাকদ্বীপের নারায়নপুর গ্রামে। পুলিশ জানিয়েছে মৃতের নাম রাহুল মান্না (৩০)। পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, এ দিন বিকেল সাড়ে ৩টে নাগাদ রাহুলবাবু পুকুরে স্নান করে বাড়িতে ফিরেছিলেন। ভিজে গামছা তারে শুকোতে দেওয়ার সময় তিনি বিদু্যুৎস্পৃষ্ট হন। গুরুতর জখম অবস্থায় তাঁকে কাকদ্বীপ মহকুমা হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে চিকিৎসকেরা তাঁকে মৃত বলে ঘোষণা করেন। প্রাথমিক তদন্তে পুলিশের অনুমান কোনও ভাবে ওই লোহার তার বিদ্যুৎবাহী হয়ে থাকার কারণে দুর্ঘটনাটি ঘটে।

যুবকের দেহ উদ্ধার

নিজস্ব সংবাদদাতা • রায়দিঘি

নদীর ধারে মেছোভেড়ির কুঁড়ে ঘর থেকে বছর বাইশের এক অজ্ঞাত পরিচয় যুবকের দেহ উদ্ধার করল পুলিশ। সোমবার সকালে ঘটনাটি ঘটেছে রায়দিঘির ডোঁয়ারঘেরি গ্রামের কাছে। পুলিশ জানিয়েছে, যুবকের পরণে ছিল ছাপা জামা ও বারমুডা। দেহটি ময়না-তদন্তের ডন্য পাঠানো হয়েছে।

southbengal
Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy