Advertisement
E-Paper

গণনার দিন বিজেপি কর্মীকে গুলি! মদতের অভিযোগে ক্যানিংয়ে গ্রেফতার তৃণমূল বিধায়কের দাদা

ভোটগণনা চলাকালীনই ক্যানিংয়ে আক্রান্ত হন বিজেপি কর্মী অর্ঘ্যদীপ বসু। তাঁর ডান পায়ে গুলি লাগে। সেই ঘটনায় জড়িত সন্দেহেই উত্তমকে গ্রেফতার করল পুলিশ।

আনন্দবাজার ডট কম সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ১৬ মে ২০২৬ ১১:০৭
ক্যানিংয়ে ধৃত তৃণমূল নেতা উত্তম দাস।

ক্যানিংয়ে ধৃত তৃণমূল নেতা উত্তম দাস। —ফাইল চিত্র।

ক্যানিং পশ্চিমের তৃণমূল বিধায়ক পরেশরাম দাসের দাদা উত্তম দাসকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। বিজেপি কর্মীকে খুনের চেষ্টার ঘটনায় মদত দেওয়ার অভিযোগ রয়েছে তাঁর বিরুদ্ধে। রাতেই বাড়ির সামনে থেকে তুলে নিয়ে যাওয়া হয়েছে তাঁকে। উত্তম ক্যানিং ১ পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি এবং এলাকার দাপুটে নেতা। তাঁর গ্রেফতারির পর এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়েছে। তাঁর অনুগামীরা অনেকে রাতেই থানার সামনে জমায়েত করেছিলেন। তবে পুলিশ ও কেন্দ্রীয় বাহিনী তাঁদের ছত্রভঙ্গ করেছে।

গত ৪ মে পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভা নির্বাচনের ফলঘোষণা হয়েছে। ভোটগণনা চলাকালীনই ক্যানিংয়ের দিঘিরপাড় গ্রামে আক্রান্ত হন বিজেপি কর্মী অর্ঘ্যদীপ বসু। অভিযোগ, তাঁকে লক্ষ্য করে কেউ বা কারা গুলি ছোড়ে। গুলি লাগে বিজেপি কর্মীর ডান পায়ে। সেই ঘটনায় জড়িত সন্দেহেই উত্তমকে গ্রেফতার করল পুলিশ। শুক্রবার রাতে ক্যানিংয়ের মিঠাখালি গ্রামে উত্তমের বাড়ির সামনে থেকে তাঁকে ধরে নিয়ে যাওয়া হয়। পুলিশের সঙ্গে ছিল কেন্দ্রীয় বাহিনীও। গ্রেফতারির সময় উত্তমের বাড়ি ঘিরে রেখেছিলেন কেন্দ্রীয় জওয়ানেরা।

রাতে উত্তমকে থানায় নিয়ে যাওয়ার পর সেখানে তাঁর অনেক অনুগামী পৌঁছে যান। অতীতে ক্যানিং এলাকায় থানা থেকে ধৃতদের ছিনতাই করে নিয়ে যাওয়া কিংবা পুলিশের উপর হামলার মতো ঘটনা ঘটেছে। উত্তমের গ্রেফতারিকে কেন্দ্র করে তেমন কোনও পরিস্থিতি যাতে তৈরি না-হয়, সে দিকে বাড়তি নজর দিয়েছিল পুলিশ। নিরাপত্তা ব্যবস্থা আগের চেয়ে জোরদার করা হয়েছিল। থানার বাইরে ছিল কঠোর প্রহরা। তা সত্ত্বেও থানার বাইরে ভিড় বাড়তে শুরু করে। শেষমেশ কেন্দ্রীয় বাহিনী এবং পুলিশ জমায়েত ছত্রভঙ্গ করে দেয়। উত্তমের গ্রেফতারির পর থেকে এলাকা উত্তপ্ত। তাঁকে শনিবার আদালতে হাজির করানো হতে পারে।

এ বারের বিধানসভা ভোটে রাজ্যে বিজেপির ঝড়ে মুখ থুবড়ে পড়েছে তৃণমূল। ২০৭টি আসনে বিজেপি জিতেছে। তৃণমূলের দখলে রয়েছে ৮০টি কেন্দ্র। তবে ক্যানিং পশ্চিমে তৃণমূলের পরেশরাম জিতেছেন ৪০ হাজারেরও বেশি ভোটে। এই পরিস্থিতিতে রাজ্যের নানা প্রান্তে বিজেপির বিরুদ্ধে ভোট-পরবর্তী হিংসার অভিযোগ তুলেছে প্রাক্তন শাসকদল।

Canning TMC BJP West Bengal Police
Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy