Advertisement
E-Paper

TMC: তৃণমূলের দুই গোষ্ঠীর মারপিট বাদুড়িয়ার গ্রামে, চলল গুলি

মঙ্গলবার রাতে ঘটনাটি ঘটেছে বাদুড়িয়া থানার আরশুলা গ্রামে। বুধবার দুপুরে দু’পক্ষ ১৭ জনের নামে থানায় অভিযোগ দায়ের করে।

নিজস্ব সংবাদদাতা 

শেষ আপডেট: ১১ নভেম্বর ২০২১ ০৮:২০
প্রতীকী ছবি।

প্রতীকী ছবি।

জুয়ার আসরে গোলমাল থেকে তৃণমূলের দুই গোষ্ঠীর মধ্যে মারপিট বাধল বাদুড়িয়ায়। গুলি চলে। মারধর, শ্লীলতাহানির অভিযোগও উঠেছে। হামলার অভিযোগ উঠেছে পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতির বাড়িতে।

মঙ্গলবার রাতে ঘটনাটি ঘটেছে বাদুড়িয়া থানার আরশুলা গ্রামে। বুধবার দুপুরে দু’পক্ষ ১৭ জনের নামে থানায় অভিযোগ দায়ের করে। পুলিশ তদন্ত শুরু করেছে।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, ৭ নভেম্বর বাদুড়িয়ার বিধায়ক আব্দুর রহিম দিলুর নেতৃত্বে বিজয়া সন্মিলনী হয়। তা নিয়ে দলের দু’পক্ষের মধ্যে চাপা উত্তেজনা ছিল। এক গোষ্ঠীর লোকজন বিধায়কের অনুষ্ঠানে যেতে বারণ করে কিছু কর্মী-সমর্থককে।

মঙ্গলবার রাতে একটি চায়ের দোকানে কয়েকজন বসে জুয়া খেলছিল বলে অভিযোগ। এক তৃণমূল কর্মী তা নিয়ে আপত্তি তোলন। দলের অন্য এক গোষ্ঠীর ছেলেদের সঙ্গে তাঁর বচসা, হাতাহাতি বেধে যায়। ওই তৃণমূল কর্মী বিধায়ক অনুগামী বলে পরিচিত। দলের একাংশের বারণ সত্ত্বেও তিনি গিয়েছিলেন বিজয়া সম্মিলনীতে। তাঁর উপরে অন্য গোষ্ঠীর আগে থেকেই রাগ ছিল বলে জানতে পেরেছে পুলিশ।

তাঁর স্ত্রী পুলিশের কাছে লিখিত অভিযোগে জানান, রাত ১০টা নাগাদ শতাধিক মানুষ আগ্নেয়াস্ত্র, লাঠি, বাঁশ নিয়ে বাড়িতে হামলা চালায়। বাড়িতে ঢুকে এক রাউন্ড গুলি চালায়। স্বামীকে খুনের হুমকি দিয়ে মারধর করে। স্বামীকে বাঁচাতে গেলে তাঁর চুলের মুঠি ধরে ঘর থেকে টেনে বাইরে এনে মারধর করা হয়। পোশাক ছিঁড়ে দেওয়া হয়। মারধর করা হয় তাঁর শ্বশুর, দেওর, ভাসুরকেও। দেওর ও ভাসুরকে গাছের সঙ্গে বেঁধে রাখে হামলাকারীরা।

মহিলার স্বামী বলেন, ‘‘আমি বিধায়ক-গোষ্ঠীর বলে পরিচিত। দলের অন্য গোষ্ঠীর কিছু লোক বিধায়কের অনুষ্ঠানে যেতে বারণ করেছিল। সে কথা শুনিনি। তারই জেরে মারধর, হামলা হল।’’

বাদুড়িয়া পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি কুহেলিকা পরভীনের ঘনিষ্ঠদের সঙ্গেই বিধায়ক গোষ্ঠীর লোকজনের বিবাদ বলে স্থানীয় সূত্রের খবর। কুহেলিকা-ঘনিষ্ঠ বলে পরিচিত এক মহিলা জানান, বিরুদ্ধে গোষ্ঠীর কয়েকজন আগ্নেয়াস্ত্র নিয়ে বাড়িতে হামলা চালায়। সকলকে মারধর করে লুটপাট চালায়। যাওয়ার সময়ে তাঁর স্বামীর মাথায় কুড়ুলের কোপ মারে। তাঁর পোশাক ছিঁড়ে দেয়।

বিধায়ক বলেন, ‘‘দু’পক্ষই আমাদের দলের লোক। কোনও ভুল বোঝাবুঝি থাকলে তা অবিলম্বে মিটিয়ে ফেলা জরুরি।’’

তাঁর অনুগামীদের কেউ গোলমালে জড়িত বলে মানতে চাননি পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি। তাঁর কথায়, ‘‘রাত সাড়ে ১০টা নাগাদ একদল দুষ্কৃতী আমার বাড়িতেও হামলা চালায়। গালিগালাজ, ভাঙচুর করে। পঞ্চায়েত সমিতির জরুরি নথি লুট করেছে। আমাকে খুনের হুমকি দিয়েছে।’’

TMC
Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy