Advertisement
E-Paper

মঞ্চে মন্তব্য ঘিরে গোলমাল তৃণমূলের দুই শিবিরের মধ্যে

খতিবের দাবি, তিনি কোনও দল বিরোধী কথা বলেননি। কাউকে ব্যক্তিগত ভাবে নাম ধরে খারাপ কথা বলেননি।

নিজস্ব সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ৩০ নভেম্বর ২০২০ ০৬:০৪
পুলিশের সঙ্গে ধস্তাধস্তি যুব তৃণমূল কর্মীদের। রবিবার ছবিটি তুলেছেন প্রসেনজিৎ সাহা

পুলিশের সঙ্গে ধস্তাধস্তি যুব তৃণমূল কর্মীদের। রবিবার ছবিটি তুলেছেন প্রসেনজিৎ সাহা

মাতলা ১ তৃণমূল অঞ্চল কমিটির উদ্যোগে রবিবার আয়োজিত রক্তদান শিবির ও কৃতী পড়ুয়াদের সংবর্ধনা অনুষ্ঠানের মঞ্চ থেকে দলেরই এক নেতার বিরুদ্ধে বিতর্কিত মন্তব্য করার অভিযোগ উঠল ইটখোলা অঞ্চল সভাপতি খতিব সর্দারের বিরুদ্ধে। এই ঘটনার প্রতিবাদ জানিয়ে অনুষ্ঠানস্থলে এসে বিক্ষোভ দেখান এলাকার যুব তৃণমূল কর্মী তথা যুব তৃণমূল নেতা পরেশরাম দাসের অনুগামীরা। প্রকাশ্যে খতিবকে ক্ষমা চাইতে হবে বলেও দাবি তোলেন তাঁরা। ঘটনাকে কেন্দ্র করে উত্তেজনা ছড়ায়। পরিস্থিতি সামাল দিতে বিশাল পুলিশ বাহিনী ঘটনাস্থলে এলে পুলিশের সঙ্গে বচসা ও ধ্বস্তাধস্তি বাধে যুব তৃণমূল কর্মীদের। শেষমেশ পুলিশ অবশ্য পরিস্থিতি সামাল দেয়।

এলাকার যুব তৃণমূল নেতা তথা জেলা তৃণমূলের কোঅর্ডিনেটর পরেশরাম দাসের অভিযোগ, মঞ্চে বক্তব্য রাখতে গিয়ে খতিব তাঁকে খুনের হুমকি দিয়েছেন। সে কারণে এলাকার যুব তৃণমূল কর্মীরা এই বক্তব্যের প্রতিবাদ করে বিক্ষোভ দেখিয়েছেন। এ বিষয়ে ক্যানিং থানার খতিবের বিরুদ্ধে এফআইআরও করবেন বলে জানিয়েছেন পরেশ। তিনি বলেন, “খতিব ইটখোলা এলাকায় ক্রমাগত অশান্তি ছড়াচ্ছেন। এ বিষয়ে দল ওঁকে অনেকবার হুঁশিয়ারি দিয়েছে। আজ খোলা মঞ্চ থেকে মাইকে আমায় খুনের হুমকি দিয়েছেন। এ বিষয়ে আমি থানায় অভিযোগ জানানোর পাশাপাশি দলকেও ঘটনার কথা জানাব।”

যদিও খতিবের দাবি, তিনি কোনও দল বিরোধী কথা বলেননি। কাউকে ব্যক্তিগত ভাবে নাম ধরে খারাপ কথা বলেননি। খতিব বলেন, “বেশ কিছু দিন ধরেই ক্যানিং পশ্চিমের বিধানসভার টিকিট অনেকেই পাচ্ছেন বলে শোনা যাচ্ছে। আমি শুধু বলেছি, শুনছি অনলাইনে বিধায়কের টিকিট পাওয়া যাচ্ছে। তা আমিও একবার সেই চেষ্টা করে দেখব। চেয়ারের পিছনে না দৌড়ে মানুষের জন্য কাজ করুন, দলের কাজ করুন।” তবে এ কথা তিনি কাকে উদ্দেশ করে বলেছেন, সে সম্পর্কে মুখ খুলতে চাননি খতিব। এ দিনের ঘটনায় যথেষ্ট অস্বস্তিতে পড়ে যান রক্তদান শিবিরের মঞ্চে উপস্থিত জয়নগর লোকসভা কেন্দ্রের সাংসদ প্রতিমা মণ্ডল, ক্যানিং পশ্চিমের বিধায়ক শ্যামল মণ্ডল, ব্লক তৃণমূলের সভাপতি শৈবাল লাহিড়ি-সহ অন্য নেতারা। ঘটনার নিন্দা করেছেন সাংসদ। তিনি বলেন, “কোনও ভুল হয়ে থাকলে তা নিজেদের মধ্যে আলোচনা করে মিটিয়ে নেওয়া যেত। সকলের সামনে গন্ডগোল করায় দলের সম্মান নষ্ট হয়েছে।”

TMC Canning Conflict
Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy