Advertisement
E-Paper

তিরিশটি হোটেলকে শো-কজ

সরাই লাইসেন্স নিয়ে আগেই বিতর্ক তৈরি হয়েছিল। এ বার তিনটি সরকারি হোটেল-সহ ৩০টি হোটেল কর্তৃপক্ষকে পরিবেশ আদালত থেকে শো’কজ নোটিস পাঠানোয় ফের অনিশ্চয়তার মেঘ বকখালি পর্যটনকেন্দ্র ঘিরে।

শান্তশ্রী মজুমদার

শেষ আপডেট: ০৫ এপ্রিল ২০১৭ ০২:৫৫

সরাই লাইসেন্স নিয়ে আগেই বিতর্ক তৈরি হয়েছিল। এ বার তিনটি সরকারি হোটেল-সহ ৩০টি হোটেল কর্তৃপক্ষকে পরিবেশ আদালত থেকে শো’কজ নোটিস পাঠানোয় ফের অনিশ্চয়তার মেঘ বকখালি পর্যটনকেন্দ্র ঘিরে। উপকূল নিয়ন্ত্রণ আইন না মানায় আদালত জানতে চেয়েছে, কেন ওই হোটেলগুলি বন্ধ করে দেওয়া হবে না।

পর্যটন দফতরের সরকারি হোটেল বকখালি ট্যুরিস্ট লজ, বেনফিসের সাগরকন্যা-সহ পরিবেশ আদালতের নোটিস পেয়েছ অনেকগুলি হোটেল। যদিও হোটেল মালিকদের তরফে দাবি করা হয়েছে, কেন্দ্রীয় সরকার বা রাজ্য সরকার কোনও দিনই বকখালিতে উপকূল নিয়ন্ত্রণ আইনের সীমানা ঠিক করেনি। বকখালিতে বেসরকারি হোটেল মালিকদের সংগঠনের নেতা অপূর্ব বন্দ্যোপাধ্যায়, বলেন, ‘‘আগে তো সীমানা ঠিক করতে হবে। তা সরকার করেনি। এক একটি হোটেল সমুদ্র থেকে ১২০০-১৫০০ মিটার দূরত্বে রয়েছে। তারাও নোটিস পেয়েছে। দূষণ নিয়ন্ত্রণের ছাড়পত্র রয়েছে, এ রকম হোটেলও নোটিস পেয়েছে। আমরা জবাব পাঠিয়েছি।’’

উপকূল নিয়ন্ত্রণ আইন অনুসারে, সমুদ্রের সর্বোচ্চ জোয়ারের সীমানা থেকে ৫০০ মিটারের মধ্যে কোনও কংক্রিটের নির্মাণ থাকতে পারবে না। হোটেল মালিকদের দাবি, বকখালিতে সেই সীমানা কতটা তাই আজ পর্যন্ত ঠিক করে দেওয়া হয়নি। তা ছাড়াও, বকখালির হোটেলগুলি থেকে রোজ যে পরিমাণ বর্জ্য বের হয়, সেগুলি তাঁরা সমুদ্রের জলে মিশতে দেন না।

বকখালি সরকারি হোটেলের ম্যানেজার সোমনাথ দত্তের দাবি, ‘‘আমাদের দূষণ নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষের ছাড়পত্র রয়েছে। সপ্তাহখানেক আগে আমরাও নোটিস পেয়েছি। উপকুল থেকে ৫০০ মিটারের বেশি দূরত্বে হোটেল।’’

বকখালিতে নোটিস পাওয়া হোটেলগুলির মধ্যে একটি বড় অংশেরই দূষণ নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষের ছাড়পত্র অবশ্য নেই। পরিবেশ আদালত থেকে ‘আদালত-বান্ধব’ হিসেবে নিযুক্ত হয়েছেন পরিবেশবিদ সুভাষ দত্ত। তাঁর কথায়, ‘‘সিআরজেড সীমানা নিয়ে হোটেল মালিকদের দাবিতে কিছু যুক্তি রয়েছে। তবে এটাও মনে রাখতে হবে, পরিবেশ উপেক্ষা করে কোনও কিছুই চলতে পারে না। যাঁদের দূষণ নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে হোটেল চালানোর ছাড়পত্র নেই, তাঁদের বিরুদ্ধেই ব্যবস্থা নিতে চায় আদালত।’’

সুভাষবাবু জানান, পরিবেশ আদালত থেকে ইতিমধ্যেই নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, যাতে তিন মাসের মধ্যে দক্ষিণ ২৪ পরগনায় সর্বোচ্চ জোয়ারের সীমা কত, তা মাপজোক করে দেখা হয়।

Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy