Advertisement
২৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৪
Death Sentence

শিশুকে ধর্ষণ করে খুনে ফাঁসির আদেশ যুবককে

আজগর যখন বাড়ি থেকে শিশুটিকে কোলে নিয়ে বেরোচ্ছিল, তখন তা চোখে পড়ে যায় এক জনের। মেয়ের খোঁজ না পেয়ে তাই তার মা-বাবা ওই যুবকের বিরুদ্ধেই থানায় অভিযোগ দায়ের করেন। ঘটনার পর থেকে পলাতক ছিল আজগর।

An image of Law and Order

—প্রতীকী চিত্র।

নিজস্ব সংবাদদাতা
বারুইপুর শেষ আপডেট: ০৭ ডিসেম্বর ২০২৩ ০৫:০৩
Share: Save:

এক নাবালিকাকে ধর্ষণ করে খুনের ঘটনায় বুধবার দোষী যুবককে মৃত্যুদণ্ড দিল বারুইপুর আদালত। সাজাপ্রাপ্ত ওই যুবকের নাম আজগর আলি খাদি মুন্সারি (৩৮)।

আদালত সূত্রের খবর, ২০১৯ সালের ১৫ জুলাই ঘটনাটি ঘটেছিল নরেন্দ্রপুর থানা এলাকায়। বছর ছয়েকের ওই শিশুটিকে বাড়ি থেকে কোলে করে তুলে নিয়ে গিয়ে ধর্ষণ করে আজগর। পুলিশ সূত্রের খবর, শিশুটির বাবার সহকর্মী ছিল সে। এলাকাতেই একটি প্রকল্পে কাজ করত তাঁর সঙ্গে। সেই সূত্রে বাচ্চাটির বাড়িতে যাতায়াত ছিল আজগরের। তার বাড়িও নরেন্দ্রপুর থানা এলাকাতেই। ঘটনার দিন আজগর ওই শিশুটির বাড়িতে গিয়ে তাকে তার বাবার কাছে নিয়ে যাওয়ার কথা বলে বার করে। এর পরে প্রকল্পের পাঁচিল-ঘেরা একটি জায়গায় নিয়ে গিয়ে তাকে ধর্ষণ করে খুন করে সে। পরে জঙ্গলে দেহ ফেলে যায়।

আজগর যখন বাড়ি থেকে শিশুটিকে কোলে নিয়ে বেরোচ্ছিল, তখন তা চোখে পড়ে যায় এক জনের। মেয়ের খোঁজ না পেয়ে তাই তার মা-বাবা ওই যুবকের বিরুদ্ধেই থানায় অভিযোগ দায়ের করেন। ঘটনার পর থেকে পলাতক ছিল আজগর। তাকে গ্রেফতারের দাবিতে বিক্ষোভ দেখান এলাকাবাসী। শেষমেশ ঘটনার ছ’দিন পরে, ২১ জুলাই আজগরকে গ্রেফতার করে পুলিশ। সে দিনই তাকে ঘটনাস্থলে নিয়ে গিয়ে শিশুটির দেহ উদ্ধার করা হয়।

এর পরেই পকসো-সহ একাধিক ধারায় মামলা শুরু হয় আজগরের বিরুদ্ধে। মঙ্গলবার তাকে দোষী সাব্যস্ত করে আদালত। এ দিন ফাঁসির নির্দেশ শোনান অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা বিচারক (১) সন্দীপকুমার মান্না। সরকারি আইনজীবী রুনুরাজ মণ্ডল বলেন, ‘‘এই অপরাধে ফাঁসিই উপযুক্ত সাজা। আদালতের রায়ে আমরা খুশি।’’ তিনি জানান, বারুইপুর আদালতে পকসো মামলায় এই প্রথম ফাঁসির আদেশ হল। আজগরের আইনজীবী বিপ্লব রায়মণ্ডল বলেন, ‘‘আজগর নির্দোষ। এই রায়ের বিরুদ্ধে উচ্চ আদালতে যাব।’’

(সবচেয়ে আগে সব খবর, ঠিক খবর, প্রতি মুহূর্তে। ফলো করুন আমাদের Google News, X (Twitter), Facebook, Youtube, Threads এবং Instagram পেজ)
Follow us on: Save:
Advertisement

Share this article

CLOSE