পতাকা লাগানো নিয়ে তৃণমূল এবং ইন্ডিয়ান সেকুলার ফ্রন্ট (আইএসএফ)-এর কর্মীদের মধ্যে ‘সংঘর্ষ-এর অভিযোগ। শুক্রবার রাতে এই ঘটনা ঘটেছে দক্ষিণ ২৪ পরগনার ভাঙড়ে। ওই সংঘর্ষের জেরে জখম হয়েছেন দুই পক্ষের কয়েক জন। পুলিশ কয়েক জনকে আটক করে শুরু করেছে তদন্ত। ঘটনার জেরে থমথমে ভাঙড়।
পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, শুক্রবার রাতে তৃণমূল এবং আইএসএফ কর্মীদের মধ্যে বাধে সংঘর্ষ। আইএসএফ নেতা আবু হোসেন মোল্লার অভিযোগ, ‘‘২১ জানুয়ারি দলের প্রতিষ্ঠা দিবস হিসাবে আমরা দলীয় পতাকা লাগাচ্ছিলাম। সেই সময় আরাবুল ইসলাম এবং তাঁর ছেলে হাকিমুল ইসলাম বাইরে থেকে লোকজন এনে আমাদের মারধর করে। অথচ পুলিশ এসে আমাদেরই দু’জনকে ধরে নিয়ে গিয়েছে। ওরা লাঠি দিয়ে মেরেছে। আমরা আত্মরক্ষা করতে ওদের মেরেছি।’’ সংঘর্ষের পর ঘটনাস্থলে যায় কাশীপুর থানার পুলিশ।
সংঘর্ষের দায় আইএসএফের ঘাড়েই চাপিয়েছেন ভাঙড়ের তৃণমূল নেতা হাকিমুল। তাঁর অভিযোগ, ‘‘গতকাল আইএসএফের কিছু নেতা পতাকা টাঙাচ্ছিল। সেই সময় তারা আমাদের এক সমর্থকের বাড়িতে তাদের দলীয় পতাকা টাঙায় এবং আরাবুল ইসলামের নামে গালাগালি দেয়। তার প্রতিবাদ করলে ওরা অতর্কিতে আমাদের উপর হামলা চালায়। ইটবৃষ্টি করে। আমাদের কর্মীদের বন্দুকের বাঁট, ইট, রড দিয়েও মারধর করে।’’
আরও পড়ুন:
-
কুন্তল যে টাকা আমার কাছ থেকে নিয়েছিল, সেটা ফেরত চেয়েছিলাম, অভিযোগের জবাবে তাপস
-
তাপসের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রের অভিযোগ ধৃত কুন্তলের, স্বাস্থ্যপরীক্ষার্থে হাসপাতালে নিয়ে গেল ইডি
-
মস্কো-গোয়া বিমানে বোমাতঙ্ক! হুমকি মেলে সতর্কতা, তড়িঘড়ি অবতরণ করানো হল উজবেকিস্তানে
-
বরখাস্ত ব্রিজভূষণ, কেন্দ্রের আশ্বাসে কুস্তিগির-বিক্ষোভ আপাতত উঠল
এ নিয়ে বারুইপুর পুলিশ জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মাকসুদ হাসান জানান, ওই কাণ্ডে দু’পক্ষের তরফেই অভিযোগ দায়ের হয়েছে। পুলিশ ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে বলেও জানিয়েছেন তিনি। ওই কাণ্ডে আটক করা হয়েছে দু’পক্ষের কয়েক জন সমর্থককে।