খাতায়-কলমে অখিল ভারতীয় বিদ্যার্থী পরিষদ (এবিভিপি) রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সঙ্ঘের ছাত্র সংগঠন। বিজেপির সঙ্গে তাদের কোনও দৈনন্দিন যোগাযোগ নেই। কিন্তু নির্বাচনের মুখে সঙ্ঘের সেই ছাত্র সংগঠনই নামছে ‘সহায়কে’র ভূমিকা নিয়ে। সূত্রের খবর, রাজ্য জুড়ে কয়েক দফায় প্রায় আড়াই লক্ষ ‘বৈঠক’ করবে তারা। ‘বাংলা বাঁচাও যাত্রা’র পরে যে ভাবে বৈঠকি সভা করে মানুষের কাছে পৌঁছনোর কর্মসূচি নিয়েছে সিপিএম, এবিভিপি-র পরিকল্পনাও প্রায় তেমনই।
সূত্রের খবর, সম্প্রতি কলকাতা কার্যালয়ে এবিভিপি-র সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদকের (সংগঠন) উপস্থিতিতে নির্বাচন নিয়ে সংগঠনের ভূমিকার রূপরেখা তৈরি করা হয়েছে। তিনটি পর্যায়ে এই বৈঠক হওয়ার কথা রয়েছে। সূত্রের খবর, আগামী ২৫ জানুয়ারির মধ্যে জেলা পর্যায়ে সভা, আগামী ৫ ফেব্রুয়ারির মধ্যে বিধানসভা স্তরে এবং তার পরে অন্তত ৬০ হাজার বুথে সভা করার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। এবিভিপি-র এক নেতার বক্তব্য, “বড় সভা করার চেয়ে, ৫-৭ জন নির্বাচক নিয়ে ছোট ছোট চাটাই বৈঠক করলে ইতিবাচক ফলাফল পাওয়া যেতে পারে। সমন্বয় বৈঠকেই প্রত্যেক অংশকে তাদের কোন নির্বাচকমণ্ডলীর কাছে পৌঁছতে হবে, তা স্পষ্ট করে দেওয়া হয়েছিল।” সরস্বতী পুজোর দিন, শুক্রবার সংগঠনের কলকাতা কার্যালয়ে এসেছিলেন ত্রিপুরার প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী বিপ্লব দেব। ঘটনাচক্রে, তিনি পশ্চিমবঙ্গের নির্বাচনের সহকারী দায়িত্বে রয়েছেন। বিপ্লব সংগঠনের শীর্ষ নেতাদের সঙ্গে বেশ কিছু ক্ষণ আলাদা করে কথা বলেন। সরস্বতী পুজো উপলক্ষে সংগঠনের দফতরে এসেছিলেন বিজেপি নেত্রী মাফুজা খাতুনও। এ ছাড়াও যুব মোর্চার রাজ্য সভাপতি ইন্দ্রনীল খাঁ উপস্থিত ছিলেন।
মুরলীধর সেন লেনে বিজেপির রাজ্য দফতরে সরস্বতী পুজোয় এ দিন উপস্থিত ছিলেন রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য, উত্তর কলকাতা সাংগঠনিক জেলার সভাপতি তমোঘ্ন ঘোষ, বর্ষীয়ান নেতা তাপস রায় প্রমুখ। বিকেলে ভবানীপুরের একটি ক্লাবের পুজোতে উপস্থিত হন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী।
এই খবরটি পড়ার জন্য সাবস্ক্রাইব করুন
5,148
1,999
429
169
(এই প্রতিবেদনটি আনন্দবাজার পত্রিকার মুদ্রিত সংস্করণ থেকে নেওয়া হয়েছে)