Advertisement
E-Paper

১৪ দিন পর ঘরে ফিরে এল ‘মৃত’ ছেলে

১৪ দিন পর হঠাৎই ‘মরা’ ছেলে ফিরে এল ঘরে। সকলেই ভেবেছিলেন, মৃত্যু হয়েছে এনামুলের। বন্ধুদের সঙ্গে গঙ্গায় স্নান করতে গিয়ে নিখোঁজ হয়ে গিয়েছিল এনামুল।

নিজস্ব সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ১২ অগস্ট ২০১৬ ১৮:৪৭

১৪ দিন পর হঠাৎই ‘মরা’ ছেলে ফিরে এল ঘরে। সকলেই ভেবেছিলেন, মৃত্যু হয়েছে এনামুলের। বন্ধুদের সঙ্গে গঙ্গায় স্নান করতে গিয়ে নিখোঁজ হয়ে গিয়েছিল এনামুল।

সাঁকরাইল থানার পশ্চিমপাড়ার নলপুরের এই ঘটনা এখন এলাকার মানুষজনের আলোচনার অন্যতম বিষয়। নলপুরের বাসিন্দা এনামুল পুরকায়েত বাউড়িয়ার খামার হাইমাদ্রাসার দশম শ্রেণির ছাত্র। পুলিশ সূত্রে খবর, গত ২৮ জুলাই দুপুরে বন্ধুদের সঙ্গে গঙ্গায় স্নান করতে গিয়ে নিখোঁজ হয়ে গিয়েছিল সে। এনামুলের পরিবার জানিয়েছে, অনেকগুলো দিন পেরিয়ে যাওয়ার পরেও এনামুল না ফেরায়, প্রতিবেশী দুই কিশোরের কাছে ছেলের খবরাখবর নিতে যান তাঁরা। কিন্তু কোনও খবরই তাঁরা পাননি। এনামুলের বাবা জাহির পুরকায়েতের দাবি, ওই কিশোরদের কথায় অসঙ্গতি থাকায় তাদের আরও জিজ্ঞাসাবাদ করে তারা। তখন ওই কিশোররা বলে, এনামুলকে খুন করে তারা গঙ্গায় তার দেহটি ভাসিয়ে দিয়েছে। এর পরেই সাঁকরাইল থানা এলাকার মাণিকপুর ফাঁড়িতে খুনের মামলা রুজু করে এনামুলের পরিবার। অভিযুক্ত দুই কিশোরকে গ্রেফতার করে জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করে পুলিশ। তাদের বয়ানের ভিত্তিতে টানা তিন দিন গঙ্গায় তল্লাশি চালায় পুলিশ। কিন্তু এনামুলের দেহ পাওয়া যায়নি। তখন সকলে ধরে নেন, এনামুলের দেহটি দূরে কোথাও ভেসে গিয়েছে।

শুক্রবার সকালে নলপুর স্টেশনে হঠাৎই অপ্রকৃতস্থ অবস্থায় খোঁজ মেলে এনামুলের। তাকে স্থানীয় বাউড়িয়া স্টেট জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। প্রাথমিক চিকিৎসার পর তাকে ছেড়ে দেওয়া হলেও পুলিশ জানিয়েছে, এখনও কথা বলার মতো অবস্থায় নেই এনামুল।

Advertisement

এখন প্রশ্ন উঠছে, টানা ১৪ দিন কোথায় ছিল এনামুল? জেরায় বন্ধুরা কেন বলেছিল যে, তারাই খুন করেছে এনামুলকে?

এনামুলের পরিবারের অবশ্য দাবি, তাদের সন্তানকে অপহরণ করতে চেয়েছিল তার বন্ধুরা। কোনও ভাবে পালিয়ে এসেছে ছেলে। তাই খুনের মামলা তুলে নিয়ে ওই দুই কিশোরের বিরুদ্ধে অপহরণের মামলা দায়ের করেছে এনামুলের পরিবার। অভিযুক্ত দুই কিশোরকে হোমে রাখা হয়েছে। তারা মানসিক ভাবে সুস্থ কি না, সেটাও দেখা হচ্ছে।

আরও পড়ুন: আরও মৃত্যু, ডেঙ্গি-পরীক্ষার কিট বাড়ন্ত

Enamul Purkayet
Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy