×

আনন্দবাজার পত্রিকা

Advertisement

০৫ মার্চ ২০২১ ই-পেপার

‘বিজয়’ যজ্ঞে ২২০ আসন প্রার্থনা করলেন বীরভূমের কেষ্ট

নিজস্ব সংবাদদাতা
বোলপুর ১৩ জানুয়ারি ২০২১ ২০:৪৫
কঙ্কালীতলায় ‘বিজয়’ যজ্ঞ তৃণণূলের। নিজস্ব চিত্র

কঙ্কালীতলায় ‘বিজয়’ যজ্ঞ তৃণণূলের। নিজস্ব চিত্র

সামনে মহারণ। তার আগে যজ্ঞ করে ‘প্রস্তুতি’ কিছুটা এগিয়ে রাখলেন তৃণমূলের বীরভুম জেলা সভাপতি অনুব্রত মণ্ডল। বুধবার কঙ্কালীতলার ওই যজ্ঞে উপস্থিত হয়ে তৃণমূল নেতার প্রার্থনা, ‘জয়ং দেহি’।

রাজ্যে আগামী বিধানসভা নির্বাচনের দিন ক্ষণ ঘোষণা হতে এখনও ঢের দেরি। কিন্তু তার অনেকটা আগে থেকেই ময়দানে নেমে প়ড়েছে রাজ্যের শাসক এবং বিরোধী দল। ‘সৈন্য’ সংগ্রহ থেকে শুরু করে তর্জন-গর্জন, সব মিলিয়ে ঠিক যেন যুদ্ধের প্রস্তুতি। বুধবার সেই ‘প্রস্তুতি’ আরও কিছুটা এগিয়ে রাখলেন রাজ্যের শাসকদলের অন্যতম সেনাপতি অনুব্রত। বুধবার বোলপুরের সতীপীঠ কঙ্কালীতলায় প্রতি বারের মতো মহাযজ্ঞের আয়োজন করা হয়েছিল জেলা তৃণমূলের তরফে। জোড়াফুল শিবিরের অন্দরে ওই দলীয় অনুষ্ঠান ‘বিজয় যজ্ঞ’ হিসাবেই পরিচিত।

কঙ্কালীতলায় কালীর আরাধনা, মূলত শক্তি সাধনা হিসাবেই পরিচিত। বুধবারের যজ্ঞে অবশ্য শক্তি মন্ত্র এবং ঢাকের বাদ্যের সঙ্গে শোনা গিয়েছে কীর্তনের বোল-ও। শাক্ত-বৈষ্ণব মিলেমিশে একাকার। একুশের ‘মহাযুদ্ধ’ জয়ের প্রার্থনা সারতে এ দিন সব পথই খোলা রাখলেন অনুব্রত।

Advertisement

আরও পড়ুন: নবীন-প্রবীণদের মত নিয়ে ভোটের ইস্তাহার তৈরির কাজ শুরু করেছেন মমতা

আরও পড়ুন: করোনা-কালে রোগীর সেবা করেও বৈষম্যের অভিযোগ আয়ুষ ডাক্তারদের

বুধবার কঙ্কালীতলা যাওয়ার রাস্তার কিছুটা ছিল তৃণমূলের পতাকায় মোড়া। ছিল নানা আকারের কাটআউট-ও। সকাল থেকেই অনুষ্ঠান নিয়ে ছিল সাজ সাজ রব। প্রতি বার ওই অনুষ্ঠানে মূল ভূমিকায় থাকেন অনুব্রতই। এ বারও তাই। বেলায় যজ্ঞস্থলে পৌঁছে প্রথম আহুতি দেন অনুব্রত। এর পর তা পরিচালনা করেন ১১ জন পুরোহিত। অনুষ্ঠানে তৃণমূলের বীরভূম জেলা সভাপতির সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন জেলার নেতারাও। যজ্ঞ শেষে প্রার্থনাও করেন অনুব্রত। আরাধ্য দেবীর কাছে কী চাইলেন? প্রশ্নের উত্তরে ওই তৃণমূল নেতার জবাব, ‘‘মায়ের কাছে যা চেয়েছি পেয়েছি। ২২০ টি আসন চাইলাম। সেটাও দেবে মা।’’

Advertisement