Follow us on

Download the latest Anandabazar app

© 2021 ABP Pvt. Ltd.

Advertisement

২৮ জানুয়ারি ২০২২ ই-পেপার

উৎসাহ দিয়ে সেরা ইন্দাসের স্কুল

রাজ্যের সেরা ‘ইলেক্টোরাল লিটারেসি ক্লাব’-এর শিরোপা পেল বাঁকুড়ার ইন্দাসের ছোটগোবিন্দপুর এসএন পাঁজা উচ্চ বিদ্যালয়।

নিজস্ব সংবাদদাতা
ইন্দাস ২৬ জানুয়ারি ২০২০ ০৫:০৬
প্রাপ্তি: দেওয়া হচ্ছে পুরস্কার। নিজস্ব চিত্র

প্রাপ্তি: দেওয়া হচ্ছে পুরস্কার। নিজস্ব চিত্র

ভোটদানে উৎসাহ বাড়ানোর কাজে রাজ্যের সেরা ‘ইলেক্টোরাল লিটারেসি ক্লাব’-এর শিরোপা পেল বাঁকুড়ার ইন্দাসের ছোটগোবিন্দপুর এসএন পাঁজা উচ্চ বিদ্যালয়। শনিবার কলকাতার বাংলা আকাদেমিতে জাতীয় ভোটার দিবসের অনুষ্ঠানে এই পুরস্কার তুলে দেওয়া হয় স্কুলের প্রধান শিক্ষক প্রসেনজিৎ সরকারের হাতে। ‘ইলেক্টোরাল লিটারেসি ক্লাব’-এর নোডাল অফিসার হিসাবেও সেরার শিরোপা পেয়েছেন প্রসেনজিৎবাবু।

প্রসেনজিৎবাবু জানান, তাঁর স্কুলের ‘ইলেক্টোরাল লিটারেসি ক্লাব’টি ‘ভবিষ্যতের ভোটার’ বিভাগে কাজ করে চলেছে ২০১৮ সাল থেকে। নবম ও দশম শ্রেণির পঁচাত্তর জন ছাত্রছাত্রী ক্লাবের সদস্য। সারা বছর বিভিন্ন অনুষ্ঠানের মাধ্যমে তারা মানুষকে ভোটদানে উৎসাহিত করে। ছাত্রছাত্রীরা নিজের নিজের এলাকায় ঘুরেও মানুষকে বোঝায়, কেন ভোট দেওয়া দরকার। নির্ভয়ে ভোট দিতে বলে তারা।

বাড়ি বাড়ি ঘুরে যেমন প্রচার চলে, তেমনই নেওয়া হয় নানা কর্মসূচি। বৃক্ষরোপণ অনুষ্ঠানের মাধ্যমে প্রচার করেছে ছাত্রছাত্রীরা। দেওয়াল পত্রিকা প্রকাশ করেছে। কিছু দিন আগে ‘চলো নাম তুলি’ নামে একটি ফুটবল প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়েছিল স্কুলের পক্ষ থেকে।

Advertisement

ছোটগোবিন্দপুরের ওই স্কুলের ‘ইলেক্টোরাল লিটারেসি ক্লাব’-এর সদস্য মেঘা মণ্ডল বলে, ‘‘ভোট ও নির্বাচনী প্রক্রিয়া বোঝাতে আমরা মাঝে মাঝেই বসে আঁকো ও তাৎক্ষণিক বক্তৃতার প্রতিযোগিতা করি।’’ ক্লাবের সদস্য পায়েল নন্দী বলে, ‘‘গণতন্ত্রের ভিত্তি হল ভোট। তাই ভোট প্রক্রিয়ায় মানুষকে উৎসাহিত করতে ছাত্রছাত্রীদের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা আছে। আমরা সারা বছরই এই কাজে যুক্ত থাকি। এটা করে ভীষণ আনন্দ পাই।’’

বিডিও (ইন্দাস) মানসী ভদ্র চক্রবর্তী বলেন, ‘‘যোগ্য ক্লাব হিসেবেই রাজ্যে সেরা হয়েছে ছোটগোবিন্দপুর এসএন পাঁজা উচ্চ বিদ্যালয়।’’ তাঁর আশা, পডুয়ারা এই প্রক্রিয়ার মাধ্যমে নিজেরাও সচেতন হবে। ভোট দেওয়ার বয়সে পৌঁছে গণতন্ত্রের ভিত্তিকে মজবুত করায় ভূমিকা নেবে আজকের ওই কিশোর-কিশোরীরাই।

আরও পড়ুন

Advertisement