নানা দুষ্কর্মের অভিযোগে শিল্পাঞ্চলের বিভিন্ন জায়গা থেকে মোট সাত জনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। আসানসোলের কল্যাণপুর থেকে পাইপগান-সহ এক জন, হাটন রোডে লুঠপাটে জড়িত সন্দেহে এক জন ও কাঁকসার বাঁশকোপায় ডাকাতির উদ্দেশ্যে জড়ো হওয়ার অভিযোগে চার জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। কল্যাণপুর থেকে ধৃতকে জেরা করে আরও এক জনকে ধরা হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
আসানসোল উত্তর থানার পুলিশ কল্যাণপুর থেকে চন্দন পাসোয়ান নামে এক জনকে গ্রেফতার করে। পুলিশের দাবি, চন্দন এক জন সুপারি কিলার। এসিপি (সেন্ট্রাল) বরুণ বৈদ্য জানান, জেরায় ধৃত স্বীকার করেছে, এক মহিলাকে খুনের জন্য মহম্মদ মাসুদ নামে এক ব্যক্তি তাকে তিরিশ হাজার টাকা দিয়েছিল। পুলিশ জানায়, তদন্তে জানা গিয়েছে, প্রেমে প্রত্যাখ্যাত হয়ে মাসুদ ওই মহিলাকে খুনের পরিকল্পনা করে। সে জন্যই সুপারি কিলার নিয়োগ করে।। মাসুদকেও গ্রেফতার করা হয়েছে বলে পুলিশ জানায়। বৃহস্পতিবার দুপুরে আসানসোল দক্ষিণ থানার হাটন রোড এলাকায় মহিলাকে মারধর করে লুঠের ঘটনাতেও এক জনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।
শুক্রবার রাতে কাঁকসার পুলিশ বাঁশকোপা থেকে যে চার জনকে গ্রেফতার করে, তাদের মধ্যে এক জন বীরভূমের নানুর, দু’জন কাঁকসার গোপালপুর ও এক জন বুদবুদের কোটা গ্রামের বাসিন্দা। মিঠুন দাস, সুনীল চৌধুরী, অনুপম দাস ও রাজেশ ভট্টাচার্য নামে ওই চার জন রাতে ডাকাতির উদ্দেশ্যে জড়ো হয়েছিল বলে পুলিশ জানায়। শনিবার আদালত ধৃতদের ১৪ দিন জেল-হাজতে রাখার নির্দেশ দিয়েছেন।