ভোটের আগে শেষ রবিবার জোরকদমে প্রচার চলল মন্তেশ্বরে। কেউ বাজারে-বাড়িতে ঘুরলেন, কেউ রাস্তা জোড়ে মিছিলেই ভরসা রাখলেন।
বিজেপির তরফে মন্তেশ্বরের মাছের এলাকায় একটি জনসভা করা হয়। সেখানে মূল বক্তা ছিলেন দলের রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ। বক্তব্যের বেশির ভাগ সময়ই তিনি মোদী-সরকারের নোট তুলে নেওয়ার সিদ্ধান্তে প্রশংসা করেন। যে সমস্ত দল অসৎ উপায়ে টাকা কামিয়েছিল তারাই এতে বিপাকে পড়েছে বলেও দাবি করেন তিনি। কেন্দ্রীয় সরকারের নানা জনমুখী প্রকল্পের কথাও তুলে ধরেন তিনি। দিলীপবাবুর দাবি, রাজ্যে কেন্দ্র সরকারের টাকায় ৭৮টি প্রকল্পের কাজ চলছে, অথচ কোনও প্রচার নেই। প্রায় শ’খানেক কর্মী-সমর্থক বিজেপিতে যোগ দেন এ দিন। সাতগাছিয়া এলাকার কাঠালিয়া, ঘটকপাড়া-সহ নানা গ্রামেও প্রার্থী বিশ্বজিৎ পোদ্দার ঘুরে প্রচার চালান এ দিন।
তৃণমূলের হয়ে প্রচারে এসেছিলেন জেলার পর্যবেক্ষক অরূপ বিশ্বাস। হুডখোলা জিপ, মিছিলে বাঘাসন পঞ্চায়েতের ফুলগ্রাম, নবগ্রাম, ঘোড়াডাঙা এবং মামুদপুর এলাকায় ঘোরেন তিনি। সঙ্গে ছিল লোকশিল্পীদের দলও। এ ছাড়াও রায়গ্রাম, বামুনিয়া এবং সাহাজাদপুরে সভা করে তৃণমূল। সেখানে ছিলেন বরানগরের বিধায়ক তাপস রায় এবং তৃণমূল ছাত্র পরিষদের প্রাক্তন রাজ্য সভাপতি অশোক রুদ্র। জেলা সভাপতি স্বপন দেবনাথ বলেন, ‘‘রবিবারের প্রতিটি প্রচারে মানুষের ঢল নেমেছিল।’’
সিপিএম আবার জোর দেয় বাড়ি বাড়ি প্রচারে। সন্ধ্যা পর্যন্ত একাধিক কর্মীসভা ও বৈঠক হয়। প্রার্থী ওসমান গনি সরকার বলেন, ‘‘সকাল থেকে কুলুট এলাকার তিনটি বুথে বাড়ি বাড়ি প্রচার চালিয়েছি। ভাল সাড়ে মিলেছে।’’ কংগ্রেস প্রার্থী বুলবুল আহমেদ শেখেরও দাবি, ‘‘ছুটির দিন বা়ড়িতে লোক বেশি পাব বলে সেখানেই জোর দেওয়া হয়েছে।’’