Advertisement
E-Paper

Flood: বন্যার জলে ঘিরেছে গ্রাম, বাঁধের উপর অনাহারে দিন কাটছে একশো বছরের ননীবালার

বৃহস্পতিবার রাতে অজয়ের নদী বাঁধ ভেঙে প্লাবিত হয় আউশগ্রামের সাঁতলা-সহ কয়েকটি গ্রাম। কোনও রকমে গ্রামবাসীরা প্রাণ বাঁচাতে নদী বাঁধের উপর আশ্রয় নেন।

নিজস্ব সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ০৫ অক্টোবর ২০২১ ০৪:৫৪

নিজস্ব চিত্র

ভেসে গিয়েছে গ্রাম। বা়ড়িতে থাকা দায়। তাই বাঁধের উপরে উঠে এসেছেন অজয় নদের পাশে থাকা মানুষেরা। ত্রিপল টাঙিয়েই চলছে সংসার। অনেকের মতোই পূর্ব বর্ধমানের আউশগ্রামের সাঁতলা গ্রামের বৃদ্ধা ননীবালা জোয়ারদারেরও ঠাঁই হয়েছে বানভাসীদের তাঁবুতে। ননীবালার বয়স হয়েছে ১০০ বছর। আর তাঁকে নিয়েই সঙ্কটে পড়েছেন তাঁর পরিবারের লোকেরা। জলবন্দি হয়ে প্রায় অনাহারেই দিন কাটাচ্ছেন ননীবালা।

বৃহস্পতিবার রাতে অজয়ের নদী বাঁধ ভেঙে প্লাবিত হয় আউশগ্রামের সাঁতলা-সহ আরও কয়েকটি গ্রাম। প্লাবনের সময় কোনও রকমে গ্রামবাসীরা প্রাণ বাঁচাতে নদীবাঁধের উপর আশ্রয় নেন। এখন অজয়ের জল নেমে গিয়েছে। তবে সাঁতলা গ্রামে অধিকাংশ ঘরবাড়ি নিশ্চিহ্ন হয়ে গিয়েছে। তাই বাড়ি ফেরার উপায় নেই। নদীবাঁধের উপর তাঁবু খাটিয়ে রয়েছেন গৃহহীনেরা। মেয়ে সবিতা জোয়ারদারের কাছে থাকেন বৃদ্ধা ননীবালা। সবিতা বলেন, ‘‘বানের সময় অসুস্থ মাকে কোনও রকমে তুলে নিয়ে এসেছিলাম। এমনিতেই মা খুব অসুস্থ। এখন চিকিৎসা হচ্ছে না। তেমন খাবারও নেই। কিছু করতে পারছি না।’’ ননীবালার ভাইপো নৃপেন জোয়ারদার বলেন, ‘‘আমাদের সব্জি ক্ষেত নষ্ট হয়ে গিয়েছে। পুকুরের মাছ সব ভেসে গিয়েছে। ঘরবাড়ি কবে করতে পারব জানি না। এখানে অসহায় ভাবে কাটাতে হচ্ছে।’’

অজয় নদের সাঁতলা গ্রামের বাঁধের ভেঙে যাওয়া অংশ মেরামতের কাজ ইতিমধ্যে শুরু করেছে প্রশাসন। গ্রামের কেউ কেউ তাঁদের ভেঙে যাওয়া ঘরবাড়ি গোছানোর চেষ্টা করছেন। তবে অধিকাংশ গ্রামবাসীর ভরসা নদী বাঁধের উপর তাঁবু। আউশগ্রাম ২ নম্বর পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি সৈয়দ হায়দার আলি বলেন, ‘‘ওখানে রান্না করা খাবার দেওয়া হচ্ছে। মেডিক্যাল টিমও গিয়েছে।’’

Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy