×

আনন্দবাজার পত্রিকা

Advertisement

১৫ এপ্রিল ২০২১ ই-পেপার

কুয়োয় নিখোঁজ প্রৌঢ়ার দেহ, ধন্দ

নিজস্ব সংবাদদাতা
কুলটি ১৪ ডিসেম্বর ২০২০ ০২:৫৯
ঘটনাস্থল। নিজস্ব চিত্র।

ঘটনাস্থল। নিজস্ব চিত্র।

বাড়ির কুয়ো থেকে উদ্ধার হল নিখোঁজ এক প্রৌঢ়ার দেহ। রবিবার কুলটির নিউরোড এলাকার ঘটনা। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, মৃতার নাম শান্তি দত্ত (৫৮)। শনিবার দুপুর থেকে তিনি নিখোঁজ ছিলেন। কুলটি থানায় ওই দিন সন্ধ্যায় নিখোঁজ ডায়েরি করেছিলেন মৃতার ছেলে অরূপ দত্ত। রবিবার দুপুরে দেহটি উদ্ধার করে আসানসোল জেলা হাসপাতালে ময়না-তদন্তে পাঠিয়ে শুরু করেছে পুলিশ।

এ দিকে, এই ঘটনাকে ঘিরে ধন্দ তৈরি হয়েছে।

মৃতার ছেলে অরূপবাবু পুলিশকে জানিয়েছেন, তাঁর মা একতলার ঘরে থাকতেন। তিনি ও তাঁর স্ত্রী দোতলায় থাকেন। শনিবার দুপুরের খাওয়া সেরে যে যাঁর ঘরে চলে গিয়েছিলেন। তাঁর দাবি, সওয়া তিনটে নাগাদ নীচে নেমে মাকে তাঁর ঘরে দেখতে পাননি অরূপবাবু। ঘরের আশপাশে খুঁজে দেখার সময়ে কুয়ো-তলায় মায়ের শাড়ি দেখতে পান। অরূপবাবু বলেন, ‘‘মা প্রতিদিন বিকেলে হাঁটতে বেরোন। কুয়ো-তলায় মায়ের শাড়ি দেখে ভেবেছিলাম, অন্য শাড়ি পরে মা হাঁটতে গিয়েছেন। কিন্তু সন্ধ্যা হয়ে গেলেও মা বাড়ি না ফেরায় খোঁজ শুরু করি। কিন্তু মায়ের সন্ধান পাইনি। এর পরে থানায় নিখোঁজ ডায়েরি করি।’’

Advertisement

তিনি পুলিশের কাছে দাবি করেছেন, রবিবার দুপুর বারোটা নাগাদ সন্দেহের বসে বাড়ির কুয়োয় কাঁটা ফেলেন। কাঁটাটি কিছুক্ষণ কুয়োর চারপাশে ঘোরানোর পরে ভারী কিছু একটা লাগছে বলে বুঝতে পারেন। জল থেকে কাঁটা কিছুটা উপরে তোলার পরে তাঁর মায়ের দেহটি দেখতে পান তিনি। এর পরে তিনি থানায় খবর দেন।

পুলিশের তরফে দমকলে খবর পাঠানো হয়। দমকলের কর্মীরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে দুপুর সাড়ে তিনটে নাগাদ দেহটি উপরে তোলেন। দেহ উদ্ধারের পরেই এলাকায় চাঞ্চল্য ছড়ায়। পুলিশ জানায়, মৃতার ছেলে দাবি করেছেন, কুয়োর মুখ তারজালি দিয়ে বন্ধ করা রয়েছে। তবে কিছুটা অংশ কব্জা দিয়ে গেটের মতো খোলা ও বন্ধ করা যায়। শনিবার দুপুরেও ওই গেটের অংশটি বন্ধ করা ছিল। প্রৌঢ়া যদি কুয়োয় পড়েও যান, তা হলে তারজালির গেট বন্ধ রইল কী ভাবে? পুলিশ জানিয়েছে, অস্বাভাবিক মৃত্যুর মামলা রুজু করা হয়েছে। সব দিক দেখা হচ্ছে।

Advertisement