E-Paper

বিজেপির সদস্যকয়লা কারবারি,দাবি তৃণমূলের

অপরাধের বিরুদ্ধে লড়াই করার বদলে, বিজেপি সমাজবিরোধী ও বিতর্কিত ব্যক্তিদের দলে টেনে রাজনৈতিক ভাবে ব্যবহার করছে।

নিজস্ব সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ১২ মার্চ ২০২৬ ১০:৫৫
—প্রতিনিধিত্বমূলক ছবি।

—প্রতিনিধিত্বমূলক ছবি।

কয়লা কারবারে যুক্ত এক ব্যক্তিকে বিজেপি তাদের জেলা কমিটিতে স্থায়ী আমন্ত্রির সদস্য করেছে, এই অভিযোগ তুলে সরব হল তৃণমূল। তাদের দাবি, বেআইনি কয়লা কারবারের সঙ্গে বিজেপির কী যোগ, তা এই ঘটনায় স্পষ্ট। অভিযোগ উড়িয়ে বিজেপির পাল্টা দাবি, তৃণমূলের জেলা নেতাদের আশপাশেই বালি ও কয়লা কারবারিদের দেখা যায়।

বুধবার এক সাংবাদিক বৈঠক করে তৃণমূলের জেলা সভাপতি নরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী দাবি করেন, বিজেপি তাদের আসানসোল সাংগঠনিক জেলার স্থায়ী আমন্ত্রিত সদস্য করেছে কয়লা কারবারি বলে পরিচিত এক জনকে। ওই ব্যক্তি দীর্ঘদিন ধরে কয়লা কারবারে যুক্ত এবং এলাকায় তাঁকে ঘিরে নানা বিতর্ক রয়েছে দাবি করে নরেন্দ্রনাথের অভিযোগ, ‘‘স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ মথুরাপুরে প্রকাশ্যে দুর্নীতি ও অপরাধের বিরুদ্ধে পদক্ষেপ করার কথা বললেও, বাস্তবে মাফিয়াদের দলে জায়গা দিচ্ছে বিজেপি।’’

এ দিন নরেন্দ্রনাথ এমন অভিযোগ তোলার সময়ে হাজির ছিলেন দলের নেতা ভি শিবদাসন, মহিলা সভানেত্রী অসীমা চক্রবর্তী, জামুড়িয়ার বিধায়ক হরেরাম সিংহ, জেলা তৃণমূল শ্রমিক সংগঠনের সভাপতি অভিজিৎ ঘটকেরা। তৃণমূল নেতৃত্বের দাবি, অতীতে অন্ডালে বিমানবন্দরে অমিত শাহকে বিদায় জানাতে দেখা গিয়েছিল ওই কয়লা কারবারে অভিযুক্তকে। নরেন্দ্রনাথের কথায়, ‘‘বছরখানেক আগে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহকে ফুল দিয়ে সংবর্ধনা দিয়েছিল ওই কয়লা মাফিয়া। দুর্গাপুরের হোটেলে কেন্দ্রীয় কয়লামন্ত্রী প্রহ্লাদ জোশীর সঙ্গেও দেখা গিয়েছিল তাকে। এখন ‘ওয়াশিং মেশিনে’ ঢুকিয়ে সাফ করার চেষ্টা করছে বিজেপি।’’ বিজেপির ‘স্বচ্ছ রাজনীতি’র দাবি প্রশ্নের মুখে বলে দাবি করেন তৃণমূল নেতারা। তাঁদের তোপ, অপরাধের বিরুদ্ধে লড়াই করার বদলে, বিজেপি সমাজবিরোধী ও বিতর্কিত ব্যক্তিদের দলে টেনে রাজনৈতিক ভাবে ব্যবহার করছে।

তৃণমূলের এমন অভিযোগ আমল দিতে নারাজ বিজেপি। তবে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিকে সদস্য করার বিষয়েও দলের নেতারা মুখ খোলেননি। বিজেপি নেতা জিতেন্দ্র তিওয়ারি পাল্টা দাবি করেন, ‘‘ওই ব্যক্তি কে বা কী করেন, সেটা ভুলে যান। জেলা তৃণমূল সভাপতির দুই শাগরেদ যে এখনও বালি ও কয়লার কারবার চালাচ্ছে, সে দিকে আগে নজর দিন।”

(এই প্রতিবেদনটি আনন্দবাজার পত্রিকার মুদ্রিত সংস্করণ থেকে নেওয়া হয়েছে)

Durgapur

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy