Advertisement
E-Paper

চুপিসারে মাঠে জাল পেতে পরিযায়ী পাখির চোরাশিকার! যৌথ অভিযান শুরু হতেই বাইক ফেলে চম্পট

পূর্ব বর্ধমান বন দফতরের কাটোয়া রেঞ্জ অফিস সূত্রে জানা গিয়েছে, কেতুগ্রাম থানার অন্তর্গত চিনিসপুরের মাঠ থেকে বগারি ধরার জাল ও একটি বাইক উদ্ধার করা হয়েছে।

আনন্দবাজার ডট কম সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ২৩ মার্চ ২০২৬ ২৩:২৯
চোরাশিকারিদের বিরুদ্ধে অভিযান।

চোরাশিকারিদের বিরুদ্ধে অভিযান। নিজস্ব চিত্র।

মুর্শিদাবাদ, বীরভূমের পরে এ বার পরিযায়ী ভরুই (বগারি) পাখি চোরাশিকারের ঘটনা পূর্ব বর্ধমান জেলায়। খবর পেয়ে সোমবার বনকর্মী, পুলিশ এবং‌ বন্যপ্রাণপ্রেমী সংগঠন ‘হিউম্যান অ্যান্ড এনভায়রনমেন্ট অ্যালায়েন্স লিগ’ (হিল)-এর সদস্যেরা হানা দিতেই জাল এবং মোটরবাইক ফেলে পালাল চোরাশিকারির দল।

পূর্ব বর্ধমান বন দফতরের কাটোয়া রেঞ্জ অফিস সূত্রে জানা গিয়েছে, কেতুগ্রাম থানার অন্তর্গত চিনিসপুরের মাঠ থেকে বগারি ধরার জাল ও একটি বাইক উদ্ধার করা হয়েছে। ‘হিল’-এর তরফে জানানো হয়েছে, সম্প্রতি তাদের ফিল্ড মনিটরিং টিমের নজরে আসে যে কিছু শিকারি বিগত কয়েক দিন ধরে চিনিশপুরের ফাঁকা মাঠে সন্ধ্যার দিকে বগারি পাখি ধরার জন্য জাল পাতছে । সোমবার ওই সংস্থার সদস্যদের নিয়ে বনবিভাগ ও পুলিশের বিশেষ দল অভিযান চালায় ওই মাঠে। সে সময় তিন জন শিকারি পালিয়ে যায়।

ওই স্থান থেকে এক কিলোমিটারেরও বেশি দৈর্ঘ্যের পাখি ধরার জাল উদ্ধার করা হয়। শিকারির দল একটি বাইক ফেলে রেখে পালায়। বাইকটিকে উদ্ধার করে স্থানীয় থানায় জমা করা হয়। হিলের সহ-সম্পাদক সৌম্যদীপ মণ্ডল বলেন, ‘‘আমাদের সংস্থার সদস্যেরা প্রতিদিন ভোরে ও সন্ধ্যায় বগারি শিকারীদের অনুসন্ধান চালিয়ে যাচ্ছে। তিন বছর আগে যত পরিমাণে বগারি ধরা হতো, তার চেয়ে এখন বগারি শিকারের পরিমাণ অনেক কমেছে।’’ ছোটা চড়াই জাতীয় এই বগারি বা ভরুই (‘হিউমস শর্ট টোড লার্ক, মঙ্গোলিয়ান লার্ক-সহ কয়েকটি প্রজাতি রয়েছে এই গোত্রে) পাখিদের মাংসের কারণে নির্বিচারে জাল পেতে শিকার করা হয়। বীরভূমের রামপুরহাট এলাকায় এক ব্যবসায়ী এই চক্রের পান্ডা বলে প্রাথমিক ভাবে তদন্তে জেনেছে পুলিশ।

East Bardhaman migratory birds
Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy