Advertisement
১৯ জুলাই ২০২৪
Garbage Diposit

জিটি রোডে আবর্জনার স্তূপ, ক্ষুব্ধ শহরের বাসিন্দারা

স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, ওভারব্রিজের নীচে জিটি রোডের পাশে ওই জায়গায় বিভিন্ন এলাকা থেকে আবর্জনা সংগ্রহ করে পুরসভার কর্মীরা ফেলে দিয়ে যান।

উড়ালপুলের নীচে জঞ্জাল সাফাই।

উড়ালপুলের নীচে জঞ্জাল সাফাই। নিজস্ব চিত্র।

নিজস্ব সংবাদদাতা
বর্ধমান শেষ আপডেট: ১৭ জুন ২০২৪ ০৮:৪৮
Share: Save:

স্টেশন যাওয়ার পথে জিটি রোডের উপরেই মেহেদিবাগান এলাকায় আবর্জনার স্তূপ। নাকে রুমাল চাপা দিয়ে পচা গন্ধ আর অস্বাস্থ্যকর পরিবেশের মধ্যে দিয়েই যাতায়াত করতে হচ্ছে বর্ধমানবাসীকে। পুরসভায় বার বার আবেদন করেও অবস্থার কোনও পরিবর্তন হয় না বলে ক্ষোভ তাঁদের। পুরপ্রধান পরেশচন্দ্র সরকার জানান, বিষয়টি তাঁদের ভাবনায় আছে। দ্রুত স্থায়ী সমাধান হবে।

স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, ওভারব্রিজের নীচে জিটি রোডের পাশে ওই জায়গায় বিভিন্ন এলাকা থেকে আবর্জনা সংগ্রহ করে পুরসভার কর্মীরা ফেলে দিয়ে যান। সেখানে একটা পরিমান আবর্জনা জমলে তা ট্রাকে করে সরানো হয়। তবে সেই জঞ্জাল সরানোর আগেই যা পরিস্থিতি তৈরি হয়, পথচলতি মানুষ নাজেহাল হয়ে পড়েন। ছুটির দিনে, রবিবার পরিস্থিতি আরও খারাপ হয়ে ওঠে বলে জানান স্থানীয়রা।

স্থানীয় বাসিন্দা সমর পাশোয়ান বলেন, “বর্ধমান স্টেশনে ঢোকার মুখে রাস্তায় ওই জঞ্জালের স্তূপ এমন উচ্চতা তৈরি করে যে মাটি কাটার যন্ত্র দিয়ে তা তুলতে হয়। ব্যস্ততম জিটি রোডে এই অবস্থা মেনে নেওয়া যায় না।” প্রসূন চন্দ্র নামে এলাকার অপর এক বাসিন্দা বলেন, “শুধু ওই রাস্তাই নয়, ওভারব্রিজের উপর দিয়ে গেলেও নীচের পচা গন্ধ নাকে আসে। এই চিত্র ঐতিহ্যবাহী শহর বর্ধমানের কাছে মোটেই কাম্য নয়।”

এলাকাবাসীর দাবি, ভ্যাট করার জন্য নির্দিষ্ট জায়গা আছে। সেখানে জঞ্জাল ফেললেই তো রাস্তাও পরিষ্কার থাকবে, দূষণও কম হবে। জানা যায়, এ নিয়ে পুরসভাকে উদ্যোগী হাওয়ার আবেদন করেছেন স্থানীয় বাসিন্দা শরৎ কোলে ও রঞ্জিত মিশ্র। এলাকাবাসী এ বার স্মারকলিপি দেওয়ার ব্যাপারেও চিন্তা ভাবনা করছেন বলে জানা গিয়েছে।

(সবচেয়ে আগে সব খবর, ঠিক খবর, প্রতি মুহূর্তে। ফলো করুন আমাদের Google News, X (Twitter), Facebook, Youtube, Threads এবং Instagram পেজ)

অন্য বিষয়গুলি:

GT Road Bardhaman
সবচেয়ে আগে সব খবর, ঠিক খবর, প্রতি মুহূর্তে। ফলো করুন আমাদের মাধ্যমগুলি:
Advertisement

Share this article

CLOSE