Follow us on

Download the latest Anandabazar app

© 2021 ABP Pvt. Ltd.

Advertisement

৩০ জুন ২০২২ ই-পেপার

URL Copied
Something isn't right! Please refresh.

দেহদানে আগ্রহ বাড়ছে, দাবি

বহু মানুষ এ বিষয়ে আগ্রহ প্রকাশ করে বিষয়টি জেনে ফর্ম নিয়ে যাচ্ছেন।

নিজস্ব সংবাদদাতা
অণ্ডাল ও দুর্গাপুর ২০ ফেব্রুয়ারি ২০২০ ০০:০১
Save
Something isn't right! Please refresh.
প্রতীকী ছবি

প্রতীকী ছবি

Popup Close

একই দিনে দু’টি পরিবারের তরফ থেকে দেহ ও চক্ষুদান করা হল। বুধবার অণ্ডালের ঘটনা। এ দিন সকাল ৯টা নাগাদ মারা যান সিপিএম নেতা বিনয় দত্ত। তাঁর বয়স হয়েছিল ৯১ বছর। তিনি মরণোত্তর দেহ দানের অঙ্গীকার করে গিয়েছিলেন বলে দলীয় সূত্রের খবর। সেই মতো এ দিন মৃত্যুর পরে বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের হাতে তাঁর দেহ তুলে দেওয়া হয়। সেখানে উপস্থিত ছিলেন দলের জেলা সম্পাদক গৌরাঙ্গ চট্টোপাধ্যায়, মদন ঘোষ, অমল হালদার-সহ আরও অনেকে।

গৌরাঙ্গবাবু জানান, খুলনা জেলার মুক্তেশ্বরী গ্রামে আদি বাড়ি বিনয়বাবুর। ১২-১৩ বছর বয়সে তিনি অণ্ডালে মামারবাড়িতে চলে আসেন। এখানেই তিনি পড়াশোনার পরে রাজনীতিতে নামেন। তিনি অবিবাহিত ছিলেন। পাঁচের দশকে কমিউনিস্ট দলের সঙ্গে যুক্ত হন বিনয়বাবু। রাজনীতিতে নামার পরে অণ্ডাল দক্ষিণবাজারে অবস্থিত দলীয় কার্যালয়ই তাঁর বাড়িতে পরিণত হয়েছিল। সেখানেই তিনি থাকতেন। ১৯৮৭ থেকে ২০০৭ সাল পর্যন্ত দামোদর-অজয় জোনাল কমিটির সম্পাদক ছিলেন তিনি। মস্তিস্কে টিউমার ধরা পড়ার পরে তিনি স্বেচ্ছায় জোনাল সম্পাদকের পদ ছেড়ে দেন। তবে দলের সদস্য হিসেবে কাজ করতেন। এ দিন সেখানে তাঁর মৃত্যু হয়। তাঁর মৃত্যুতে এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। কংগ্রেসের পশ্চিম বর্ধমান জেলা কমিটির সভাপতি তরুণ রায়ের প্রতিক্রিয়া, ‘‘বিনয়বাবু বিরোধী দলের হলেও তিনি আদর্শের প্রতীক ছিলেন।’’

অন্য দিকে, এ দিন সকাল সাড়ে ৭টা নাগাদ উখরার বিবিরবাঁধে বাড়িতেই হৃদরোগে মারা যান রীতা মিত্র (৫৪)। তার পরে পরিবারের তরফ থেকে তাঁর চক্ষুদান করা হয়। মৃতার স্বামী কৃষ্ণ মিত্র বলেন, ‘‘রীতা মৃত্যুর আগে মরণোত্তর চক্ষুদানের অঙ্গীকার করে গিয়েছিল।’’ পরিবার সূত্রের খবর, তাঁর মৃত্যুর পরে দুর্গাপুর ব্লাইন্ড রিলিফ সোসাইটির পক্ষ থেকে কর্ণিয়া সংগ্রহ করে আনা হয়। এ বছর রীতাদেবীর কর্ণিয়া সংগঠনের ১০০তম কর্ণিয়া সংগ্রহ বলে সংগঠন সূত্রে জানা গিয়েছে।

Advertisement

এই দুই ঘটনা প্রসঙ্গে জানতে চাওয়া হলে দুর্গাপুর ব্লাইন্ড রিলিফ সোসাইটির সম্পাদক কাজল রায় বলেন, ‘‘দেহ ও অঙ্গদানের বিষয়ে আগে ছুঁৎমার্গ ছিল। সেখান থেকে মানুষ অনেকটাই বেরিয়ে এসেছেন। মেলা বা উৎসবে সচেতনতা শিবিরের আয়োজন করছি। দেখা গিয়েছে, বহু মানুষ এ বিষয়ে আগ্রহ প্রকাশ করে বিষয়টি জেনে ফর্ম নিয়ে যাচ্ছেন। কর্ণিয়া সংগ্রহে ভাল সাড়া পাচ্ছি। মরণোত্তর দেহদানের বিষয়েও মানুষদের আগ্রহ বাড়ছে।’’

(সবচেয়ে আগে সব খবর, ঠিক খবর, প্রতি মুহূর্তে। ফলো করুন আমাদের Google News, Twitter এবং Instagram পেজ)


Something isn't right! Please refresh.

Advertisement