Advertisement
E-Paper

ঘরে লক্ষ্মী আনতে টান পড়ল পকেটে

চাল-ডালের দাম নিয়ে এমনিতেই নাভিশ্বাস উঠেছে মধ্যবিত্তের। পুজোর মরসুম শুরুর পরে বাজারের বিভিন্ন জিনিসের দাম আরও চড়েছে। বাড়িতে লক্ষ্মীপুজোর জন্য ফল-সব্জি কিনতে গিয়ে তাই চোখ কপালে উঠল মানুষজনের।

বিপ্লব ভট্টাচার্য

শেষ আপডেট: ২৭ অক্টোবর ২০১৫ ০০:৫৪

চাল-ডালের দাম নিয়ে এমনিতেই নাভিশ্বাস উঠেছে মধ্যবিত্তের। পুজোর মরসুম শুরুর পরে বাজারের বিভিন্ন জিনিসের দাম আরও চড়েছে। বাড়িতে লক্ষ্মীপুজোর জন্য ফল-সব্জি কিনতে গিয়ে তাই চোখ কপালে উঠল মানুষজনের। সোমবার দুর্গাপুরের বিভিন্ন বাজার ঘুরে দেখা গিয়েছে, কোনও কোনও সব্জির দাম কিলোগ্রাম প্রতি দশ থেকে কুড়ি টাকা করে বেড়ে গিয়েছে এ দিন। ফলের ক্ষেত্রেও একই ভাবে দাম বেড়েছে বিভিন্ন বাজারে।

দুর্গাপুজোর পরপরই এই কোজাগরী লক্ষ্মীপুজোর আয়োজন হয় প্রায় প্রতি বাড়িতে। করতে হয় খিচুড়ি-সহ নানা ভোগের আয়োজন। তাই চাল, ডাল থেকে সব্জি, সব কিছুই কেনাকাটা করতে হয়। দুর্গাপুরের বিভিন্ন বাজারে এ দিন দেখা গিয়েছে, কোথাও সব্জির জোগান কম। সেখানে দাম বেড়েছে অনেকটাই। দু’একটি বাজারে তুলনায় জোগান বেশি থাকায় সেখানে দর সেই হারে বাড়েনি। যে ফুলকপি দিন কয়েক আগেও ১০-১২ টাকায় বিক্রি হচ্ছিল, এ দিন তার দাম দাঁড়িয়েছে ২০ থেকে ২৫ টাকায়। তবে বাজার বিশেষে সেই দামেরও হেরফের হয়েছে। চণ্ডীদাস বাজারে একটি ফুলকপি বিক্রি হয়েছে ২০ টাকার মধ্যে। বেনাচিতি বাজারে ফুলকপির দাম ২৫-৩০ টাকা। আবার মামরা বাজারে তা ১৫ টাকার মধ্যে।

সিটি সেন্টার এলাকায় সব্জির দাম বেশ চড়া। চণ্ডীদাস বাজারের ব্যবসায়ী স্বপন মিত্রের দাবি, ‘‘দাম অনেক সময়ে জোগানের উপরে নির্ভর করে। এ বার পুজোয় সব্জির জোগান ভাল থাকায় দাম ততটা বাড়েনি।’’ একই মত মামরা বাজারের ব্যবসায়ীদেরও। ব্যবসায়ী সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, ‘‘প্রতি বারই সব্জির দাম অনেকটা চড়া থাকে। তবে এ বছর সব্জির জোগান ভাল রয়েছে।’’

Advertisement

চণ্ডীদাস বা মামরা বাজারের তুলনায় সব্জি বা ফলের দাম অনেকটাই বেশি বেনাচিতি বাজারে। সেখানে বাঁধাকপি বিক্রি হয়েছে ৩০ টাকা কেজি দরে। লাউয়ের দামও রয়েছে ২৫-৩০ টাকা। লক্ষ্মীপুজোর জন্য বাজার করতে এসেছিলেন তুহিন দাস। তিনি জানান, দুর্গাপুজোর সময়ে বাজার করতে এসে যা দেখেছিলেন এ দিন দাম তার থেকে অনেকটা চড়া। তিনি বলেন, ‘‘শুধু সব্জি নয়, এক ধাক্কায় ফলের দামও বেড়েছে। বাজার করার জন্য যা বাজেট ছিল, তার চেয়ে অনেক বেশি টাকা খরচ হল।’’ সিটি সেন্টারের বাসিন্দা সর্বাণী রায় জানান, এ বছর চাল-ডালের দাম অনেক বেশি। সব্জির দাম হয়তো ততটা বাড়বে না বলে আশা করেছিলেন। তিনি বলেন, ‘‘সিটি সেন্টারে ফল থেকে সব্জি, সবেরই দাম আকাশছোঁয়া। বাড়ির কাছে বাজার বলে চড়া দাম দিয়েও নিয়ে যাচ্ছি।’’

ঘরে লক্ষ্মী আনাতে তাই টান পড়ল পকেটে।

Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy