এমনিতে চুপচাপ থাকলেও আবৃত্তি আর ক্যুইজ, দুটোতেই ঝোঁক রয়েছে ছেলেটার। স্কুলের হয়ে বেশ কয়েকবার পুরস্কারও জিতে এনেছে। শৃঙ্খলাপরায়ণতার জন্যও স্কুলের সেরা ছাত্র হয়েছে বেশ কয়েকবার। তবে এ বার মাধ্যমিকে ৯৫ শতাংশেরও বেশি নম্বর পেয়ে সবার নজর কেড়েছে আউশগ্রামের বিল্টু মাজি।
আউশগ্রামের পাণ্ডুক দীননাথপুর হাইস্কুলের ছাত্র বিল্টুর প্রাপ্ত নম্বর ৬৬৭। ভবিষ্যতে চিকিৎসক হতে চায় সে। পছন্দের বিষয় অঙ্ক। ওই স্কুলের প্রধান শিক্ষক সুপ্রিয় নাথ কোনার বলেন, ‘‘বইপত্র দিয়ে বা বাড়তি পড়িয়ে সাহায্য করেছি। কিন্তু ও সফল হয়েছে আগ্রহ আর আন্তরিকতার জোরে।’’ বিল্টু জানায়, পড়াশোনায় বিশেষ সাহায্য করেছেন ছোটবেলার শিক্ষক সাত্যকী নাথ ঘোষও। স্বভাব লাজুক বিল্টুর আগ্রহ রয়েছে আবৃত্তি ও খেলাধুলাতেও।
বন্ধু সামিম, বিক্রমেরাও খুশি তার সাফল্যে। মা-বাবা আর দিদিকে নিয়ে চার জনের বিল্টুদের। বাবা জয়দেব মাজি চাষাবাদ করে সংসার চালান। মা সুমিত্রাও স্বামীর ভার কমাতে কাপড় বুনে কিছু আয় করেন। কিন্তু তাতেও সব সমস্যা মেটে না। ছেলের ফলাফলে খুশি বিল্টুর বাবা বলেন, ‘‘বিজ্ঞান নিয়ে পড়ার খরচ তো অনেক। জানি না কতটা পারব।’’