বর্ধমান-দুর্গাপুর লোকসভা কেন্দ্রে বিপিন ভোরা কংগ্রেস প্রার্থী হতে পারেন, এই খবরে মিশ্র প্রতিক্রিয়া তৈরি হয়েছে দলের জেলার গ্রামীণ অংশের নেতা কর্মীদের মধ্যে। সোমবার প্রদেশ কংগ্রেসের সভাপতি অধীর চৌধুরী বলেন, “আমরা বিপিনবাবুকে প্রস্তাব দিয়েছিলাম। উনি রাজি হয়েছেন।”
তবে বর্ধমান জেলা কংগ্রেসের বেশ কিছু নেতার অভিযোগ, কংগ্রেস হাইকমান্ড তৃণমূলের রাস্তাতেই হেঁটে এমন এক জনকে প্রার্থী করেছেন যার সঙ্গে দলের কোনও সম্পর্ক নেই। এই নেতাদের অন্যতম কাশীনাথ গঙ্গোপাধ্যায় বলেন, “আমরা আশা করেছিলাম কংগ্রেসের দুর্দিনে যারা দল আঁকড়ে পড়ে রয়েছেন তাঁদের কাউকে প্রার্থী করা হবে। না হওয়াতে আমরা খুবই হতাশ।”
কাটোয়ায় প্রচার শুরু কংগ্রেসের। সোমবার অসিত বন্দ্যোপাধ্যায়ের তোলা ছবি।
তবে এআইসিসি সদস্য সেলিম মোল্লা বলেন, “প্রার্থী হিসেবে বিপিন ভোরাকে স্বাগত জানাতে আমরা প্রস্তুত। শিল্পপতি বাপি জিন্দল ভিন রাজ্য দলীয় প্রার্থী হয়েছেন। তাই বিপিন ভোরার মতো শিল্পপতির এ রাজ্যে প্রার্থী হতে কোনও বাধা নেই।” জেলা কংগ্রেস গ্রামীণের সভাপতি আভাস ভট্টাচার্য বলেন, “প্রার্থী দেখে ভোট হয় না। ভোট হয় দলীয় প্রতীকে। আমি যতদূর খবর পেয়েছি বিপিনবাবুর পরিবার কংগ্রেস সমর্থক। আজ, মঙ্গলবার কলকাতার শহিদ মিনারে রাহুল গাঁধীর যে জনসভা হওয়ার কথা সেখানে বিপিন বাবু হাজির থাকববেন। আমরা ঐক্যবদ্ধ তাঁর হয়ে নির্বাচন লড়তে তৈরি।” বর্ধমানে বিপিনবাবুর বিশেষ পরিচিতি না থাকলেও দুর্গাপুরে চেনা মুখ তিনি। একাধিক শিল্প কারখানা রয়েছে তাঁর। তবে বিপিনবাবু কবে জেলায় আসবেন, প্রচারই বা কবে থেকে শুরু হবে সে খবর জেলার কংগ্রেস নেতাদের কাছে নেই।