রাস উৎসব নিয়ে তৎপরতা তুঙ্গে দাঁইহাটে। সুষ্ঠু ভাবে উৎসব পরিচালনা করতে প্রশাসন ও পুলিশ ক্লাবগুলির সঙ্গে ইতিমধ্যেই বৈঠক সেরে ফেলেছে। প্রশাসনের তরফে মূল দায়িত্বে আছেন বিডিও শিবাশিস সরকার। তবে এ বার উৎসব পরিচালনায় একটি বদলও ঘটেছে।
প্রশাসন সূত্রে জানা যায়, ২০০৪ সাল থেকে বিভিন্ন ক্লাবের নির্বাচিত প্রতিনিধিদের নিয়ে তৈরি হত ২৬ জনের ‘রাস উৎসব সেন্ট্রাল কমিটি’। তারাই পুজো উদ্যোক্তা এবং প্রশাসনের মধ্যে সমন্বয়ের কাজ করত। পুজোর অনুমতি নেওয়া, স্বেচ্ছাসেবক দিয়ে দর্শকদের ভিড় নিয়ন্ত্রণ করা সে সবও করত। তবে এ বছর ক্লাবগুলি এই কমিটি গঠনে বিশেষ উৎসাহ দেখায়নি। ফলে কেন্দ্রীয় রাস কমিটি ছা়ড়াই হচ্ছে রাস। যদিও বিভিন্ন ক্লাব এবং এলাকার বিশিষ্টজনদের নিয়ে ১৬ জনের একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে।
প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে, ৫২টি ক্লাবের শোভাযাত্রা এবং ১২টি ক্লাবের মণ্ডপসজ্জার আবেদন মঞ্জুর হয়েছে এ বছর। এ ছাড়াও, তিনটি সহায়তা কেন্দ্র খোলা হবে পুজোর দিনগুলিতে। বাড়তি ট্রেন ও টিকিট কাউন্টারেরও আবেদন করা হয়েছে। পর্যাপ্ত সংখ্যায় পুলিশ থাকবে বলেও জানিয়েছে কাটোয়া থানার পুলিশ। পুলিশের দাবি, সাদা পোশাকে প্রায় ২৫০ পুলিশ বিভিন্ন এলাকায় নজরদারি চালাবে। দাঁইহাটের পুরপ্রধান বিদ্যুৎ ভক্ত জানান, শহরের খোলা ড্রেনগুলি ঢাকা দেওয়া হয়েছে। দর্শনার্থীদের জন্য পানীয় জল এবং মেডিক্যাল ক্যাম্পের ব্যবস্থা করা হয়েছে। প্রশাসনের তরফে জানানো হয়েছে, নদিয়ার দিকে যাওয়ার ভাগীরথী ঘাট রাতেও খোলা থাকবে। বাসযাত্রীরা রাত ১০ টা পর্যন্ত মালডাঙ্গা গামী বাস পাবেন।
তবে, সেন্ট্রাল কমিটি না থাকায় পর্যাপ্ত স্বেচ্ছাসেবক পাওয়ার ব্যাপারে চিন্তিত পুজো উদ্যোক্তারা। দাঁইহাটের অপরিসর রাস্তায় ৪৫-৫০টি ক্লাবের শোভাযাত্রার সময় বিশৃঙ্খলার আশঙ্কা করছেন তাঁরা।