Advertisement
E-Paper

‘গ্রেফতার তো হয়েই গিয়েছেন, খারিজ নিয়ে এত তাড়াহুড়ো কেন’? সুজিতের দ্রুত শুনানির আর্জি মানল না হাই কোর্ট

বিচারপতি কৃষ্ণ রাওয়ের মন্তব্য, গ্রেফতার খারিজ নিয়ে এত তাড়াহুড়ো কেন? ইতিমধ্যে যদি গ্রেফতার হয়ে থাকেন, তবে মামলায় আর কী পড়ে থাকে?

আনন্দবাজার ডট কম সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ০৮ জুন ২০২৬ ১২:৫৩
সুজিত বসু।

সুজিত বসু। — ফাইল চিত্র।

রাজ্যের প্রাক্তন মন্ত্রী সুজিত বসু গ্রেফতার ইতিমধ্যেই হয়ে গিয়েছেন। তাঁর গ্রেফতারি খারিজে তাড়াহুড়োর কী আছে? সুজিতের মামলায় মন্তব্য করল কলকাতা হাই কোর্ট। পুর নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় তাঁকে গ্রেফতার করেছিল ইডি। সোমবার তাঁর আইনজীবী সেই গ্রেফতারি খারিজের মামলাটির জরুরি ভিত্তিতে শুনানির আবেদন করেন আদালতে। আইনজীবীর বক্তব্য, এই মামলায় তাঁর মক্কেলের গ্রেফতারিকে চ্যালেঞ্জ করা হয়েছে কারণ, কী জন্য গ্রেফতার, তা স্পষ্ট নয়। তিনি জানান, এর আগে অবকাশকালীন বেঞ্চ ইডিকে গ্রেফতারির রিপোর্ট নিয়ে বিস্তারিত তথ্য দিতে বলেছিল।

বিচারপতি কৃষ্ণ রাওয়ের মন্তব্য, গ্রেফতার খারিজ নিয়ে এত তাড়াহুড়ো কেন? ইতিমধ্যে যদি গ্রেফতার হয়ে থাকেন, তবে মামলায় আর কী পড়ে থাকে? সুজিতের আইনজীবী জানান, তাঁর মক্কেল এখনও ইডি হেফাজতে রয়েছেন। এখনও জেল হেফাজতে পাঠানো হয়নি। এই অবস্থায় গ্রেফতারের বিরুদ্ধে মামলার শুনানি হোক। নিয়ম মেনে গ্রেফতার করেনি ওই কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা।

তার পরেই বিচারপতি রাওয়ের মন্তব্য, গ্রেফতার যখন হয়ে গিয়েছেন জামিনের আবেদন করবেন। জামিনের আবেদন করেননি কেন? ওই বিষয়ে এখনই শুনানি করা সম্ভব নয়। জুলাই মাসে মামলা শুনানির জন্য আসবে। আইনজীবীর আবেদন, গ্রেফতারিকেই চ্যালেঞ্জ করা হচ্ছে। গ্রেফতার যদি অবৈধ হয়, তাই এই আবেদন করা হয়েছে। এখন যেমন পরিস্থিতি, জুলাই মাসে সেই মামলা শুনানির তালিকায় এলেও একই অবস্থা হবে। তখনও মামলাটির শুনানি ঘিরে অনিশ্চয়তা তৈরি হবে। বিচারপতি রাও বলেন, ‘‘ঠিক আছে। মামলাটি শুনানির জন্য তালিকাভুক্ত করতে বলছি।’’

গত ১১ মে সুজিতকে গ্রেফতার করেছিল কেন্দ্রীয় সংস্থা। সেই গ্রেফতারিকে চ্যালেঞ্জ করে হাই কোর্টের দ্বারস্থ হন সুজিতের আইনজীবী। মামলা দায়েরের অনুমতিও দেওয়া হয়। বিচারপতি শম্পা দত্ত পাল নির্দেশ দেন, নিয়মিত বেঞ্চে এই মামলার শুনানি হবে। সোমবার হাই কোর্ট দ্রুত শুনানির মামলা খারিজ করে দিল।

পুরনিয়োগ দুর্নীতি মামলায় তদন্তে দক্ষিণ দমদম পুরসভায় বেআইনি ভাবে চাকরিপ্রাপকদের নাম সুপারিশ করার অভিযোগ রয়েছে সুজিতের বিরুদ্ধে। ইডি সূত্রে খবর, সেই তালিকায় কমবেশি ১৫০ জন চাকরিপ্রার্থীর নাম রয়েছে। দুর্নীতির মাধ্যমে উপার্জিত টাকা ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে গিয়েছে বলে মনে করছে ইডি। তাই খতিয়ে দেখা হচ্ছে একাধিক ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট সংক্রান্ত তথ্যও।

Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy