উপর থেকে দেখলে তার কৃষকের নিরীহ ভূমিকাটাই নজরে পড়ে। কিন্তু সেটা যে তার মুখোশ, তা জেনে তাজ্জব বনে গিয়েছেন গোয়েন্দারা। খেতিবাড়ির আড়ালে সে দুর্ধর্ষ ডাকাত বলে জানাচ্ছে সিআইডি। কবে কোথায় ডাকাতি হবে এবং ডাকাতির মাল কোথায় জমা পড়বে— সব কিছুর নকশা তৈরি করত সে এবং সেই অনুযায়ী নির্দেশ দিত শাগরেদদের। গত রবিবার স্বর্ণ-ঋণ সংস্থায় ডাকাতি চক্রের সেই পান্ডা ও রিসিভারকে গ্রেফতার করেছে সিআইডি। ধৃতের নাম অমরেন্দ্র সিংহ ওরফে অমর পালোয়ান। বিহার পুলিশের স্পেশাল টাস্ক ফোর্সের সাহায্য নিয়ে নালন্দা জেলার রাজগির বাসস্ট্যান্ডে তাকে পাকড়াও করা হয়।
ধৃতকে সোমবার আসানসোল আদালতে তোলা হলে বিচারক তাকে ১৪ দিন পুলিশি হেফাজতে রাখার নির্দেশ দেন। সে-রাতেই তাকে কলকাতায় আনা হয়। তার কাছে নগদ দু’লক্ষ টাকা পাওয়া গিয়েছে।
পুলিশি সূত্রের খবর, গত ১১ সেপ্টেম্বর মাস্ক পরা চার দুষ্কৃতী আসানসোলের একটি স্বর্ণ-ঋণ সংস্থায় ঢুকে কর্মীদের মেরেধরে প্রায় আট কোটি টাকার সোনা লুট করে চম্পট দেয়। ওই চার জনের মধ্যে ছিল গুড্ডু কুমার ওরফে ধর্মেন্দ্র এবং বিট্টু কুমার ওরফে ছোটু। বিট্টুর বাড়ি বিহারের বেউর জেলায়। গুড্ডু থাকে বিহারের শেখপুরায়। সেই ঘটনার ১০ দিন পরে ডাকাতি হয় হুগলির চুঁচুড়ার স্বর্ণ-ঋণ সংস্থার অফিসে। সেখান থেকে পুলিশ তিন জনকে পাকড়াও করে। তাদের মধ্যেও ছিল গুড্ডু ও বিট্টু।