Advertisement
E-Paper

৬৫০ কোটি টাকার তোলাবাজি! চার্জশিট পেশের পর দুর্গাপুর এবং আসানসোলের ‘কয়লা সিন্ডিকেট’ নিয়ে বিবৃতি দিল ইডি

ইডির তদন্তে উঠে আসে, কয়লা সরবরাহকারী এবং ক্রেতাদের কাছ থেকে তোলাবাজি চলছিল ওই অঞ্চলে। প্রতি টন কয়লা পিছু ২৭৫ টাকা থেকে ১৫০০ টাকা পর্যন্ত তোলাবাজি চলত বলে অভিযোগ।

আনন্দবাজার ডট কম সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ১১ এপ্রিল ২০২৬ ২৩:৩০
ইডির অভিযানের সময়ে কেন্দ্রীয় বাহিনী।

ইডির অভিযানের সময়ে কেন্দ্রীয় বাহিনী। —ফাইল চিত্র।

গত পাঁচ বছরে ৬৫০ কোটিরও বেশি টাকার তোলাবাজি করেছে আসানসোল-দুর্গাপুরের ‘কয়লা সিন্ডিকেট’। বিবৃতি প্রকাশ করে এমনটাই জানাল এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (ইডি)। দু’দিন আগেই কলকাতায় নগর দায়রা আদালতে তিন ব্যক্তি এবং দুই সংস্থার বিরুদ্ধে চার্জশিট জমা দিয়েছে ইডি। এ বার বিবৃতি দিয়ে ওই মামলা সংক্রান্ত তথ্য প্রকাশ্যে আনল কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা।

ইডি জানিয়েছে, দুর্গাপুর-আসানসোল অঞ্চলের বিভিন্ন থানায় এই কয়লা দুর্নীতি সংক্রান্ত ৫৪টি এফআইআর রুজু হয়েছে। তার প্রেক্ষিতেই তদন্তে নামে ইডি। তদন্তের অগ্রগতির সঙ্গে সঙ্গে উঠে আসে চিন্ময় মণ্ডল, কিরণ খাঁ এবং তাঁদের সহযোগীদের নাম। বিবৃতিতে ইডি জানিয়েছে, দুর্গাপুর-আসানসোল এবং সংলগ্ন অঞ্চলে একটি সংগঠিত ‘কয়লা সিন্ডিকেট’ চলে। এবং সেই সিন্ডিকেটের সঙ্গে জড়িত চিন্ময়-কিরণেরা জড়িত ছিলেন বলে দাবি ইডির। কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার দাবি, এই সিন্ডিকেট কয়লা সংক্রান্ত বিভিন্ন বেআইনি কার্যকলাপের সঙ্গে জড়িত ছিল।

ইডির তদন্তে উঠে আসে, কয়লা সরবরাহকারী এবং ক্রেতাদের কাছ থেকে তোলাবাজি চলছিল ওই অঞ্চলে। প্রতি টন কয়লা পিছু ২৭৫ টাকা থেকে ১৫০০ টাকা পর্যন্ত তোলাবাজি চলত বলে অভিযোগ। এবং এই তোলাবাজির ফলে ইস্টার্ন কোলফিল্ড লিমিটড (ইসিএল)-ও ক্ষতির মুখে পড়ছিল। ইডি জানিয়েছে, গত পাঁচ বছরে এই ভাবে প্রায় ৬৫০ কোটি টাকার তোলাবাজি করেছে আসানসোল-দুর্গাপুরের কয়লা সিন্ডিকেট।

Advertisement

গত বৃহস্পতিবার ইডি যে চার্জশিট জমা দিয়েছে আদালতে, তাতে নাম রয়েছে চিন্ময় এহং তাঁর ভাগ্নে কিরণের। ইডি সূত্রে এ-ও জানা গিয়েছে যে, এই কয়লা দুর্নীতির মাধ্যমে (প্রসিড অফ ক্রাইম) ২৭ কোটি টাকা মুনাফা করা হয়েছে।

কিরণের বাড়ি আসানসোল দক্ষিণ বিধানসভার রানিগঞ্জের বক্তানগর এলাকায়। চিন্ময় দুর্গাপুরের বাসিন্দা। স্থানীয় সূত্রে খবর, অবৈধ কয়লা ব্যবসায় মামার হাতেখড়ি হয়েছিল বাম আমলে। সে সময় চিন্ময়-সহ পাঁচ জন মিলে শিল্পাঞ্চলে সিন্ডিকেট পরিচালনা করতেন। অন্য দিকে, অবৈধ কয়লা কারবারে মামার হাত ধরে কিরণের প্রবেশ ঘটে। গত ১৫ থেকে ১৬ বছর ধরে ভাগ্নেই সিন্ডিকেট পরিচালনা করছেন। বাঁকুড়া জেলার মেজিয়াতে তাঁর বালিঘাট রয়েছে। পাশাপাশি কয়লা ব্যবসা এবং জমি কেনাবেচাতেও তিনি যুক্ত।

Enforcement Directorate
Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy