Advertisement
E-Paper

মাইক্রো অবজ়ার্ভারেরা সঠিক ভাবে কাজ করছেন না! দায়িত্ব মনে করাল ‘অসন্তুষ্ট’ কমিশন, দেওয়া হল শাস্তির বার্তাও

কমিশন মনে করছে, শুনানিকেন্দ্রে মাইক্রো অবজ়ার্ভারেরা নিজেদের দায়িত্ব ঠিকঠাক পালন করছেন না। কেন দায়িত্ব পালন সম্ভব নয়, চিঠিতে মাইক্রো অবজ়ার্ভারদের কাছে সেই প্রশ্নই তুলেছে কমিশন।

আনন্দবাজার ডট কম সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ১০ জানুয়ারি ২০২৬ ২২:৩৭
Election Commission not satisfied with the work of micro observers

শুনানিকেন্দ্রে মাইক্রো অবজ়ার্ভারদের কাজে খুশি নয় নির্বাচন কমিশন। — ফাইল চিত্র।

ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধনের (এসআইআর) শুনানির কাজের জন্য পশ্চিমবঙ্গে নিযুক্ত কেন্দ্রীয় সরকারি কর্মচারীদের মাইক্রো অবজ়ার্ভার হিসাবে নিয়োগ করেছিল নির্বাচন কমিশন। মাইক্রো অবজ়ার্ভার হিসাবে রাজ্যের কোনও সরকারি কর্মীকে নেওয়া হয়নি। কিন্তু সেই মাইক্রো অবজ়ার্ভারদের কাজেই সন্তুষ্ট নয় কমিশন।

কমিশন মনে করছে, শুনানিকেন্দ্রে মাইক্রো অবজ়ার্ভারেরা নিজেদের দায়িত্ব ঠিকঠাক পালন করছেন না। কেন দায়িত্ব পালন সম্ভব নয়, চিঠিতে মাইক্রো অবজ়ার্ভারদের কাছে সেই প্রশ্নই তুলেছে কমিশন। শুধু তা-ই নয়, ভবিষ্যতে কাজে গাফিলতি হলে শাস্তিমূলক পদক্ষেপ করা হবে বলেও সতর্ক করেছে কমিশন।

নির্দেশিকায় মাইক্রো অবজ়ার্ভারদের দায়িত্বের কথা মনে করিয়ে দিয়েছে কমিশন। প্রতিটি শুনানি পর্বেই মাইক্রো অবজ়ার্ভারদের হাজির থাকতে হয়। শুনানি ছাড়াও, তাঁরা দেখেন ভোটারদের দাখিল করা নথির বৈধতাও। কমিশন জানিয়েছে, বুথ স্তরের আধিকারিকেরা (বিএলও) যে এনুমারেশন ফর্ম ডিজিটাইজ় করছেন, সেগুলি পুঙ্খানুপুঙ্খ ভাবে পরীক্ষা করতে হবে মাইক্রো অবজ়ার্ভারদের। ভোটার তালিকার সঙ্গে জমা দেওয়া জন্ম এবং মৃত্যু নথির মিল রয়েছে কি না, তা-ও যাচাই করতে হবে তাঁদের। শুনানির জন্য ডাক পাওয়া ভোটারদের জমা দেওয়া কাগজপত্র পরীক্ষা করার দায়িত্ব মাইক্রো অবজ়ার্ভারদের।

শুধু তা-ই নয়, আরও কিছু দায়িত্ব পালন করার কথা মাইক্রো অবজ়ার্ভারদের। কমিশন জানিয়েছে, ভোটারদের কোনও দাবি বা কিছু নিয়ে আপত্তি থাকলে, সেই সংক্রান্ত নথি সঠিক ভাবে যাচাই করার কাজও তাঁদের। নির্দেশিকায় বলা হয়েছে, শুনানির জন্য আসা ভোটার, ইআরও অথবা এইআরও-র সঙ্গে নিজের ছবি তুলতে হবে মাইক্রো অবজ়ার্ভারদের। সেই ছবিতে সকলের মুখ যাতে স্পষ্ট দেখা যায়, তা নিশ্চিত করা প্রয়োজন। ভোটারের সই এবং আঙুলের ছাপ নেওয়ার পর সেই ছবি আপলোড করতে হবে মাইক্রো অবজ়ার্ভারদের। ভোটার তালিকা তৈরিতে বা সংশোধনে কোনও ভুল বা গরমিল হলে তা ধরিয়ে দেওয়ার দায়িত্বও তাঁদের।

শুনানি পর্বে নজরদারির জন্য প্রায় ৪৬০০ জন কেন্দ্রীয় সরকারি কর্মচারীকে মাইক্রো অবজ়ার্ভার হিসাবে নিয়োগ করেছে কমিশন। প্রতিটি বিধানসভা কেন্দ্রে ১১ জন করে মাইক্রো অবজ়ার্ভার থাকার কথা। সেই হিসাবে পশ্চিমবঙ্গের ২৯৪টি বিধানসভা কেন্দ্রের জন্য মাইক্রো অবজ়ার্ভার প্রয়োজন ৩,২৩৪ জন। অর্থাৎ, বাড়তি অনেক পর্যবেক্ষক নিয়োগ করেছে। তবে রাজ্যের কোনও সরকারি কর্মচারীকে মাইক্রো অবজ়ার্ভার হিসাবে নিয়োগ করেনি কমিশন।

যদিও শুনানি পর্ব শুরুর আগে থেকেই কমিশনের বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগরে দিয়েছিলেন মাইক্রো অবজ়ার্ভারদের একাংশ। তাঁদের দাবি ছিল, কোনও রকম আলোচনা ছাড়াই নিয়োগ করা হয়েছে। তাঁদের কারও বক্তব্য শোনা হয়নি। কেউ বাড়ি থেকে অনেক দূরের শুনানিকেন্দ্রে ডিউটির নোটিস পেয়েছেন। কেউ আবার এমন কাজ পেয়েছেন, যা করতে তিনি শারীরিক ভাবে সক্ষমই নন। অনেকে মাইক্রো অবজ়ার্ভারের কাজ থেকে অব্যাহতি চেয়ে কমিশনের দ্বারস্থ হয়েছিলেন।

Special Intensive Revision Election Commission of India Micro Observer
Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy